সুজানগরে ফেন্সিডিলের বোতলে ড্রেন ভরাট!

ময়লা-আবর্জনায় পানি নিষ্কাশন ড্রেন ভরাট হওয়ার ঘটনা খুব স্বাভাবিক এবং নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। তবে ফেন্সিডিলের বোতলে পানি নিষ্কাশন ড্রেন ভরাট হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত অস্বাভাবিক এবং বিস্ময়কর। কিন্তু অস্বাভাবিক এবং বিস্ময়কর হলেও সত্য জেলায় সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর মহল্লার একটি পানি নিষ্কাশন ড্রেন ফেন্সিডিলের বোতলে ভরাট হয়ে যেতে বসেছে। 
 
পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর মহল্লার নিত্যকুণ্ডুর বাড়ির পাশ দিয়ে চলে গেছে একটি পানি নিষ্কাশন ড্রেন। ড্রেনটি মূলত মহল্লাবাসীর বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মাণ করা হয়। বিশেষ করে ওই সকল বাড়িতে জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের লক্ষ্যে পৌরসভার অর্থায়নে ড্রেনটি নির্মিত হয়।
 
মহল্লাবাসী জানান, ড্রেনটি নিয়মিত পরিষ্কার না করায় এমনিতেই ময়লা-আবর্জনায় ঠাসা। তারপর আবার মাদকসেবীরা ফেন্সিডিল খেয়ে নিয়মিত বোতল ওই ড্রেনে ফেলে রাখছে। মাঝে-মধ্যে বৃষ্টির পানির সঙ্গে ফেন্সিডিলের বোতলগুলো ভেসে যায়। তবে ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় বর্তমানে বোতলগুলো ড্রেন থেকে বের হচ্ছে না। ফলে এভাবে প্রতিনিয়ত ড্রেনটিতে ফেন্সিডিলের বোতল জমতে থাকলে এক সময় ওই বোতলের কারণেই পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যাবে বলে মহল্লাবাসী মনে করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহল্লাবাসী বলেন, টোকাই ছেলে-মেয়েরা মাঝে-মধ্যে ড্রেন থেকে ফেন্সিডিলের বোতল কুড়িয়ে নিয়ে যায়। না হলে অনেক আগেই ড্রেনটি ফেন্সিডিলের বোতলে ভরাট হয়ে যেত।
 
এ ব্যাপারে থানার ওসি ওবাইদুল হক বলেন, উপজেলায় মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবীর সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমেছে। যারা এখনো পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসা এবং সেবন করছে তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
 
এদিকে ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিসুর রহমান খোকন বলেন, মাদকসেবীরা প্রভাবশালী, যে কারণে আমার বলার কিছু নেই। তবে থানা পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বলবো।
 
ইত্তেফাক/রেজা