খুলনায় পুলিশ চারজন ইউপি সদস্যসহ বিএনপির ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে ও শনিবার ভোরে জেলার রূপসা, দিঘলিয়া, ডুমুরিয়া ও কয়রা উপজেলা থেকে জেলা পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেসিসি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জেলা বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রবি, রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মুজিবর রহমান ঝনো, নৈহাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবাদুল ইসলাম, রহিমনগরের বিএনপি কর্মী জহর আলী ও মনা, দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন এবং সেনহাটির ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী মিন্টু।
এ ছাড়া কয়রা উপজেলার ছাত্রদলের সদস্য সচিব আহাদুর রহমান লিটনকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শনিবার ভোরে উপজেলার ২ নম্বর কয়রা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়েছে।
কয়রা থানার ওসি এনামুল হক জানান, কয়রা থানায় একটি নাশকতার পরিকল্পনা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি লিটন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অপরদিকে, ডুমুরিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চালিয়ে শনিবার ভোর রাতে উপজেলার আটলিয়া ও শোভনা এলাকা থেকে ৪জন বিএনপি-নেতাকর্মী ও ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, জেলা বিএনপির স্ব-নির্ভর বিষয়ক সম্পাদক ও আটলিয়া ইউপির ৪নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হবি (৪৫), আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস ছালাম মহালদার (৬০), শোভনা ইউনিয়ন বিএনপি সদস্য ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শেখ আব্দুল কাদের (৫৫) এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শেখ আব্দুর রশিদ।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতদের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেসিসি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা অভিযোগ করেন, গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীরা খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছিলেন। পুলিশ তাদেরকে প্রচারণায় অংশ নেয়া থেকে বিরত রাখার জন্য গণগ্রেফতার শুরু করেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি