ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির মেধাবি ছাত্র রাজীব আহমেদকে মেরে কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়েছে ওই গ্রামের মাতুব্বর সরোয়ার মণ্ডল। সোমবার ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে এক সংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন শিশুটির মা হালিমা খাতুন ও চাচা মনিরুল ইসলাম। শিশু শিক্ষার্থীটি বর্তমানে ঝিনাইদহের সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগে বলা হয় শিশু ছাত্র রাজিব ৮মে সকালে বাইসাইকেলে করে ওই মাতুব্বরের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। বাইসাইকেলটি মাতুব্বরের পায়ে লাগে। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীকে মারপিট করেন। শিশুটি মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারায়।
পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে তাকে নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ডাক্তার বলেন তার কানের পর্দা ফেটে গেছে। ঢাকাতে নিয়ে যেতে পরামর্শ দেন। এ ব্যাপারে শৈলকুপা থানাতে মামলা করা হয়েছে।
মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন বলেন, ঘটনাটি অমানবিক, বিচার হওয়া উচিৎ।
শৈলকুপা থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিবে। আসামি সরোয়ার মন্ডল ঘটনার পর বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু