আলমডাঙ্গার তিয়রবিলা মাঠে গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার

আলমডাঙ্গার তিয়রবিলার গহীন মাঠে একজনকে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তার দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। মঙ্গলবার রাতের কোন এক সময় তাকে হত্যা করা হয়। গতকাল দুপুরে মাঠের কৃষকরা লাশ দেখে স্থানীয় ক্যাম্প পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি ইত্তেফাককে জানান, প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, নিহত ব্যক্তি ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাদেরহুদা গ্রামের মহিউদ্দিন জোয়ার্দ্দারের ছেলে সন্ত্রাসী আব্দুল কাদের। সে এলাকায় কাদের সন্ত্রাসী নামে পরিচিত। তার নামে হরিনাকুন্ডু থানায় একাধিক অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন এলাকাছাড়া ছিল।

ওসি জানান, হত্যার শিকার কাদের আলমডাঙ্গার কেউ নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে বলা যায়, কাদেরের প্রতিপক্ষরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গার তিয়রবিলা গ্রামটি হরিনাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামঘেঁষা। তাহেরহুদা গ্রামের এক সময়ের দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসী আফজালের দেহরক্ষী ছিল নিহত কাদের। বছর দশেক আগে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আফজাল নিহত হলে কাদের এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। তাকে এলাকায় আর দেখা যেত না।

আজ দুপুরে তিয়ারবিলার বয়ারগাড়ির মাঠের নামডাকরা খালের দক্ষিনপাশে তার গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় কুষকরা কাদেরকে চিনতে পারে। এরপর পুলিশকে খবর দিলে এস. আই. গোকুল চন্দ্র অধিকারী লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করেন। এরপর লাশের ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে নিহত কাদেরের পরিবারের কেউ এখনও কোন পক্ষকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেনি।

ইত্তেফাক/নূহু