দুইদিন ধরে যশোর-চুকনগর সড়কে বাস ধর্মঘট চলছে। এতে ওই সড়কে যাতায়াতকারী হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ কেশবপুর শহরের মধ্যে সড়কের বর্ধিত কাজ করার সময় শহরের ব্যস্ততম স্থান শহীদ মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাস চত্বরে সাতক্ষীরাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠা-নামা করার সময় ওই স্থানে যানজট নিরসনে দায়িত্বরত কেশবপুর পৌর ট্রাফিকদের সাথে বাস শ্রমিকদের গণ্ডগোল হয়। এতে পৌর ট্রাফিকদের লাঠির আঘাতে ওই বাসের পিছনের একটি লাইট ভেঙে যায়। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে শ্রমিকরা পৌর ট্রাফিকদের বিচার ও শহরের পুরাতন গোহাটা ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে গাড়ি দাঁড়ানো এবং যাত্রী উঠা-নামার দাবিতে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। আজ মঙ্গলবার সকালে ২টি বাসে করে যশোর থেকে বাস শ্রমিকরা এসে কেশবপুর শহরে মহেন্দ্র, নছিমন, করিমন ও ভ্যান চালকদের মারপিট করে ভীতির সৃষ্টি করে এবং হাতে লাঠিসোটা নিয়ে দৌলত বিশ্বাস চত্বরে মহড়া দেয়। বাস শ্রমিকদের মারপিঠে হালিম নামের এক শ্রমিক আহত হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতি ২২৭ এর কেশবপুর শাখার সভাপতি আব্দুল হাকিম জানান, যাত্রী উঠা-নামার দাবিতে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়ে ওই সড়কে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আগামীকাল বুধবার সকাল ১১ টায় যশোরে শ্রমিকদের সভায় বাস চলাচলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্লাহ জানান, এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমস্যা নিরসনের জন্য আলোচনা চলছে।
ইত্তেফাক/এসএস