বাগেরহাটের রামপালে যমুনা এলপিজি গ্যাসবাহী ট্যাংকার-লরি রাস্তার পাশে উল্টে গেছে। দুর্ঘটনার পর ওই ট্যাংকারে ফাটল ধরে তাতে থাকা গ্যাস আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ছে। গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার দিকে খুলনা-মংলা মহাসড়কের বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সোনাতুনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এলপিজি গ্যাসে যাতে ওই এলাকায় বড় কোন দুর্ঘটনা ঘটতে না পারে সেজন্য সতর্ক করে মাইকিং করা হয়েছে। বাগেরহাট ও খুলনার ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুর্ঘটনা রোধে কাজ করছে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উল্টে যাওয়া গ্যাসবাহী ট্যাংকারটির উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। দুর্ঘটনায় লরির গাড়ি চালক আব্দুল করিম ও তার সহকারী শহীদুল্লাহ আহত হয়েছেন। তাদের খুলনায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের খুলনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পর ট্যাংকার ফেটে গ্যাস বেরোচ্ছে। এই গ্যাস আশেপাশে ছড়াচ্ছে। আমাদের চারটি ইউনিট কাজ করছে। এজন্য আমরা সতর্ক রয়েছি। ট্যাঙ্ক লরিটি উদ্ধারের সময় তা ফেটে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ওই ট্যাংকারটি তোলার সময় যাতে কেউ সেখানে না আসে সেজন্য তাদের সতর্ক থাকতে মাইকিং করেছি।
IMG0
যমুনা গ্যাস প্লান্টের ব্যবস্থাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, মংলা প্লান্ট থেকে এই গ্যাসবাহী লরিটি বগুড়া প্লান্টে যাচ্ছিল। ছড়িয়ে পড়া এই গ্যাসে মানবদেহের কোন ক্ষতি হবে না। তবে আশপাশের এলাকায় মানুষদের কোন ধরণের আগুন না জ্বালানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। উদ্ধারকারী যানের অভাবে লরিটি উদ্ধার কাজে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
ইত্তেফাক/এসএস