গাজীপুরের কাপাসিয়ায় কৃষকলীগের ইফতার মাহফিলে হামলার ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সম্পাদকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে কাপাসিয়া থানায় মামলা হয়েছে। উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম বাবল বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১মে বৃহস্পতিবার কাপাসিয়া উপজেলার বাবিষাব এলাকায় কৃষকলীগ ইফতার ও সরকারের উন্নয়ণ কাজ প্রচার সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, কৃষকলীগের উপদেষ্টা ও বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদের ভাগিনা আলম আহমদসহ কৃষকলীগের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
এ উন্নয়ন প্রচার সভায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহবুব উদ্দিন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক ও কাপাসিয়া সদর ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন প্রধান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ রউফ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রাজিব ঘোষসহ ১১ জন যুবলীগ নেতার নাম উল্লেখ করে ৫০/৬০ জন লাঠি সোটা নিয়ে হামলা করে। তারা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও কৃষকলীগ সদস্য রনি ফকির (৩২), মো: কাশেম (৫০), গৌরাঙ্গ রায় (৫৪), হাবিবুর (২৩) সহ কতককে মারধর ও রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় ৩টি মাইক্রোবাস ভাংচুর, মঞ্চ ভাংচুর, চেয়ার ভাংচুর করে ও ইফতার তছনছ করে ২১ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। বাদীর ব্রেসলেট ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৮৮ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। এ ঘটনায় থানায় এজাহার দায়ের করা হলে পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করে। কাপাসিয়া থানার মামলা নং ৩।
এদিকে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের কন্যা ও স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমিকে হত্যার হুমকির অভিযোগে কাপাসিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। রিমির পক্ষে জিডি করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। জিডিতে তাজউদ্দীন আহমদের ভাগিনা ও রিমির ফুফাত ভাই আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের উপদেষ্টা আলম আহমেদ ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লাসহ কৃষকলীগের ৬ নেতাকে বিবাদী করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/নূহু