রংপুর অঞ্চলে প্রচন্ড গরম আর তাপদাহে জনজীবন একেবারে অচল হয়ে পড়েছে। গত পাঁচ দিন কোনও বৃষ্টি না হওয়ায় গরম অসহনীয় মাত্রায় পৌঁছেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাতাসের আদ্রতা কমে গেছে। এই তাপমাত্রা ও ভ্যাপসা গরমে রংপুরের মানুষ কাহিল হয়ে পড়েছে। এই পবিত্র রমজান মাসে ইফতারির জন্য তারা নগরীর ফুটপাত থেকে সংগ্রহ করছেন লেবু, ডাব, তরমুজ ও কাঁচা তাল। এছাড়া পাড়া মহল্লার দোকানগুলোতে খাওয়ার স্যালাইন খুঁজছে সবাই।
মঙ্গলবার রংপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৩ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলে রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।
এদিকে প্রচণ্ড তাপদাহে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে সহায় সম্বলহীন ক্ষেতমজুর, কৃষি শ্রমিক ও রিকশাওয়ালাসহ স্বল্প আয়ের মানুষ। প্রচণ্ড গরমের কারণে বিভাগীয় নগরী রংপুর শহরের সড়কগুলো ছিল প্রায় ফাঁকা। ঈদ উপলক্ষে নগরীর বড় শপিংমলসহ মার্কেটগুলোতে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি।
রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী জানান, মঙ্গলবার এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। বিকেল ৪টা ৫ মিনিট পর্যন্ত রংপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ছিল ২৭ দশমিক শূণ্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সুত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে সোমবার সর্বোচ্চ ৩৬ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তিনি আরও জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় এতো গরম পড়েছে। তবে আজ সকালে বৃষ্টি হওয়ায় গত সোমবারের থেকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমেছে। বৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কমে আসবে বলে আশা করছি।
ইত্তেফাক/নূহু