বরিশালে সিইসি

সিটি নির্বাচনে সেনা নয়

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নূরুল হুদা বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। তবে সেটা আলোচনা করতে হবে। কিন্তু সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই।  বরিশালে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
 
বুধবার দুপুরে বরিশাল সার্কিট হাউসে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি আরো বলেন, বরিশালের স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিজিবির সহায়তায় সুষ্ঠুভাবে বিসিসি নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং দুটি কেন্দ্রে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনেও ইভিএম পদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ হবে।
 
জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আমরা আলাদা কোনো উদ্যোগ নিতে পারবো না কোনো বিশেষ দলের জন্য। আমরা আকুল আহ্বান জানাই এবং সবসময় জানিয়েছি, যেন সকল দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। যাতে নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক হয়। বিএনপি নির্বাচনে আসবে এটা আমরা প্রত্যাশা করি কিন্তু কোনো দল নির্বাচনে আসবে কি আসবে না তা নিয়ে কোনো উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ আমাদের নেই।
 
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে সিইসি তার বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন আমরা আর পুরনো পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের বিড়ম্বনা পোহাতে চাই না। ২০০৮ সালে এ পদ্ধতি নিয়ে নিরীক্ষা করার পর এর সুফল পাওয়ায় আমরা চাচ্ছি পর্যায়ক্রমে এর ব্যবহার প্রসারিত করার। আমরা চাচ্ছি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়ার। এজন্য ইভিএম পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম। এ পদ্ধতির সুফল ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রচারের জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান করেন।
 
বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইভিএম বিষয়ক উপস্থাপনা করেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রি. জে. মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুক, বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুজিবর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান প্রমুখ। সারাদিনের কর্মশালায় বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।