আলমডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের ৮৩০টি ঘর নির্মাণ

প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প “যার একখণ্ড জমি আছে ঘর নেই, তার জমিতে গৃহ নির্মাণ” উপ-খাতের আওতায় আলমডাঙ্গায় ইতিমধ্যে ৮শ ৩০ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এক লাখ টাকার মধ্যে গৃহহীন ছিন্নমূল মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই একটি করে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। আরো ৪শটি ঘর নির্মাণের সরকারী পরিপত্র উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এসে পৌঁছেছে। উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে গৃহনির্মাণের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন জানান, দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে এই প্রকল্পটি অন্যতম। যার মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না তিনি এখন সুন্দর পরিচ্ছন্ন একটি ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতে পারছেন। তার মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান জানান, প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে আমরা ব্যক্তি নির্বাচন করেছি। প্রকৃত অর্থেই যার একখণ্ড জমি আছে অথচ তার শোবার মত কোন ঘর নাই। কুঁড়ে ঘরে বসত করেন। এইরকম দরিদ্র মানুষ নির্বাচন করে সরকারি বরাদ্দের এক লাখ টাকার মধ্যে একটি ঘর ও একটি বাথরুম নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৮শ ৩০টি ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। ঘর করে দেওয়ায় এদের মুখে হাসি ফুটেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের সাহিবুল ইসলামের স্ত্রী বিউটি খাতুন একটি কুঁড়ে ঘরে বসত করতেন। তিনি এখন কটি বাড়ির মালিক। বিউটি খাতুন হাসিমুখে জানান, আমি কল্পনাই করিনি, আমার একটি ঘর হবে।

হাটুভাঙ্গা গ্রামের মৃত ছলিমউদ্দিনের ছেলে অসহায় লিয়াকত আলী উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি ঘর পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন।

বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আনুছদ্দিন মন্ডলের ছেলে চাঁন মিয়া বাকরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, আমি স্ত্রী সন্তান নিয়ে সরকারের করে দেওয়া ঘরে বসত করছি। এখন আর পানি পড়ার ভয় নাই।

ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাওছার আহমেদ বাবলু ইত্তেফাককে জানান, এটি প্রধানমন্ত্রীর  যুগান্তকারী ও স্বপ্নের একটি প্রকল্প। অনেকগুলো হত দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।

ইত্তেফাক/নূহু