রংপুর-ভেন্ডাবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের ১০ কিলোমিটারে ৫ শতাধিক গর্তের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার। চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও ব্যবসায়ীদের। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। দির্ঘদিন ধরে সড়কটি ভোগান্তির কারণ হলেও কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না। এরফলে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে পথচারীদের মাঝে।
রবিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর সদর হতে দর্শন মোড় হয়ে পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়ক এটি। এরমধ্যে, মিঠাপুকুরের এরশাদ মোড় হতে ভেন্ডাবাড়ী পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কে রয়েছে অসংখ্য ছোটবড় গর্ত। এরমধ্যে এরশাদ মোড় নামক স্থানে ১ কিলোমিটার সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। বছরের প্রায় ১০ মাসই পানি জমে থাকে সেখানে। জলাবন্ধতার কারণে যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কটি দিয়ে রংপুর সদর, পীরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলার ১০ লক্ষাধিক মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করার ফলে অনেক আগে উঠে গিয়েছে বিটুমিনের কার্পেট। খোয়া-বালির মিশে গিয়েছে পানির সঙ্গে। এতে স্থায়ী আকার ধারণ করেছে সড়কটির জলাবদ্ধতা।
রাণীপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাঙ্গা বলেন, সড়কটি শুধু সংস্কার নয় আঞ্চলিক মহাসড়ক হবে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় আমরা করার কিছুই নেই। এরশাদ মোড় এলাকাটি খোড়াগাছ ইউনিয়নের আওতাভুক্ত।
খোড়াগাছ ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মানের ব্যবস্থা করা হবে।
উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের কর্মকর্তা শাহ্ আলম মিয়া বলেন, সড়কটি আরও প্রশস্ত করার জন্য অনুমোদন শেষের পর্যায়ে। আগামী অর্থবছরের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।
ইত্তেফাক/নূহু