কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) চরম পরিবহন সংকট সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। মানববন্ধন শেষে তিন দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে তারা।
জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থী পরিবহনের জন্য ছোট বড় মিলিয়ে মোট বাস রয়েছে ১৭টি। যারমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আটটি এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের ভাড়া করা বাস নয়টি। নিজস্ব আটটি বাসের মধ্যে শিক্ষকদের জন্য দুটি, কর্মকর্তাদের জন্য একটি এবং কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দ একটি বাস। বাকি ৪ টি বাস বরাদ্দ শিক্ষার্থীদের জন্য। চালকের পদ শূন্য থাকায় একটি বাস অচল পড়ে রয়েছে।
বিআরটিসির ১টি বাসে ৫০ জনের ধারণ ক্ষমতার বিপরীতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী যাতায়াত করেন। এছাড়া মানববন্ধনে বিআরটিসি বাসের সেবা ও মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বক্তারা।
ইংরেজী ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাজহারুল ইসলাম হানিফ এর পরিচালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, "বিআরটিসির যেসব বাস ত্রুটিপূর্ণ, হাইওয়েতে চলাচলে অক্ষম সেসব বাস দিয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থা। প্রায়ই কোন না কোন বাস মাঝ পথে নষ্ট হয়ে যায়। বিআরটিসির কতিপয় চালকের বেপরোয়া গাড়ি চালানোয় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনায় পড়ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা।"
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা তিন কার্যদিবসের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারী প্রদান করেন। মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, "আমরা দ্রুততর সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে আলোচনা করে পরিবহন সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।"
ইত্তেফাক/নূহু