প্যারিসে জাতীয় শোক দিবস পালিত

যথাযথ মর্যাদা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস প্যারিস। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস ভবনে প্রবাসী বাংলাদেশি ও দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
 
অতিথিদের অংশগ্রহণে বঙ্গবন্ধুর জীবন, আদর্শ ও দর্শনের উপর আলোচনা পর্বে বক্তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রাম এবং বাঙালি জাতি গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরেন।
 
এ সময় ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশের  রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও মুক্তি অর্জন করেছে। তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে এবং বাঙালি জাতি গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরেন। একটি গর্বিত জাতি স্বতন্ত্র পরিচয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর যে দুর্লভ সম্মান বাঙালি পেয়েছে, তার জন্য সমগ্র জাতি তাঁর কাছে চিরঋণী।
IMG0
তিনি আরো বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠাই ছিল জাতির পিতার লালিত স্বপ্ন। জাতির পিতাকে হারানোর শোক শক্তিতে রূপান্তর করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে সচেষ্ট হওয়া আহ্বান জানান তিনি।
 
এর আগে সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। এরপর জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করা হয়। অনুষ্ঠানের এ পর্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং শ্রীমদ্ভগবতগীতাসহ অন্যান্য পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ শেষে বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের সদস্যসহ শাহাদাৎ বরণকারীদের রূহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ