বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি, ১ জেলে নিখোঁজ

বঙ্গোপসাগরের ১ নম্বর ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় বুধবার ভোররাতে এফবি সুমন নামের একটি ফিশিং ট্রলারে ডাকাতি হয়েছে। এ সময়  প্রায় ১০ লাখ টাকার  জাল ও অন্য মালামাল লুট করে নিয়েছে জলদস্যুরা। দস্যুদের হামলায় মো. জাহাঙ্গীর (৫০) নামে এক জেলে সাগরে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬ জেলে।
 
বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার রাজৈর মৎস্য ঘাটে বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরে আসা জেলেরা জানান,   দুবলারচরের দক্ষিণে সাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় সাগরে জাল ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা। এ সময় এফবি শিকদার নামের একটি ফিশিং ট্রলারযোগে ২০-২৫ জন জলদস্যু এসে রাম দা, চাপাতি, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা ৮লাখ টাকা মূল্যের ইলিশ ধরা জালসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
 
দস্যুদের এলোপাতাড়ি মারপিটে ট্রলারের মাঝি উপজেলার জিলবুনিয়া গ্রামের ফুলমিয়া হাওলাদার (৩৮), খাদা গ্রামের রিয়াদুল তালুকদার (৪০), দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের রনি হাওলাদার (১৮), কদমতলা গ্রামের সাইয়েদ হাওলাদার (৫০), একই  গ্রামের আফজালা সাহ (৫৫) ও হোগলপাতি গ্রামের মনির খান (২৮) আহত হন।
 
দস্যুরা চার জেলেকে সাগরে ফেলে দেয়। তিন জেলে উদ্ধার হলেও শরণখোলার হোগলপাতি গ্রামের আমীর আলী হাওলাদারের ছেলে মো. জাহাঙ্গীরকে (৫০) খুঁজে পাওয়া যায়নি। 
 
ট্রলার মালিক উত্তর কদমতলা গ্রামের মো. কালাম মৃধা জানান, আহতদের চিকিৎসার জন্য শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।
 
জাতীয় মৎস্য সমিতির শরণখোলা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, যেহেতু দস্যুরা এফবি শিকদার নামের একটি ট্রলারে এসে দস্যুতা চালিয়েছে, তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুসন্ধান চালালে দস্যুদের আটক করা সম্ভব হতে পারে।
 
ইত্তেফাক/নূহু