থানার হাজতখানায় রাত্রীযাপন মানেই জীবনের একটি দুর্বিসহ রাত। উৎকট দুর্গন্ধময়, মশা ও পোকা-মাকড়ের সঙ্গে রাত্রীযাপন। সেই সঙ্গে রয়েছে গরম! সব মিলিয়ে দুঃসহ অমানবিক একটি রাত।
কিন্তু আলমডাঙ্গা থানার হাজতখানা এখন আর আসামিদের জন্য দুর্বিসহ কোন জায়গা নয়। হাজতখানার দুটি দরোজার সামনে ভেড়ানো হয়েছে বড় একটি স্ট্যান্ড ফ্যান। ফ্যানটি এদিক-ওদিক ঘুরে একইসঙ্গে পুরুষ ও মহিলা হাজতিদের বাতাস দিচ্ছে।
থানার হাজতখানার এমন দৃশ্য এর আগে দেখা যায়নি। থানার ওসি হাজতিদের সীমাহীন কষ্টের কথা বিবেচনা করে ফ্যানের ব্যবস্থা করেছেন।
এ ব্যাপারে থানার প্রধান কর্মকর্তা আবু জিহাদ খান জানান, হাজতে যারা আসেন তারা মানুষ। তারা কোনো জানোয়ার নয়।
তিনি আরো বলেন, আদালত যতক্ষণ পর্যন্ত রায়ে কোনো মানুষকে দোষী সাব্যস্ত না করেন ততক্ষন তিনি দোষী নন। তাকে কষ্ট দেওয়া মানবাধিকার লংঘন।
ইত্তেফাক/নূহু