মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট নিখোঁজ সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির ‘শেষ কলাম’ প্রকাশ করেছে। এতে আরব বিশ্ব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান খাশোগি। বিবিসি।
পত্রিকাটি জানিয়েছে, খাশোগির জন্য খালি রাখা কলামটিতে এখন থেকে পুনরায় কলাম প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
কলামটি খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার একদিন আগে ওয়াশিংটন পোস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছিলেন খাশোগি। এতে খাশোগি বলেন আরব বিশ্বের মানুষ হয় খবর পায় না অথবা ভুল খবর পায়।
খাশোগি বলেন, ‘আরব বিশ্বের জনগণের সামনে একটি লোহার পর্দা লাগানো আছে। এটি বাইরের কেউ লাগায়নি বরং ক্ষমতার জন্য দ্বন্দ্বে লিপ্ত আরব নেতারাই লাগিয়েছেন।’
তুর্কি বান্ধবীর সাথে বিয়ের প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র আনতে গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার পর নিখোঁজ হন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলাম লেখক ও স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। মার্কিন গণমাধ্যম সম্প্রতি জানিয়েছে, কনস্যুলেটেই নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় তাকে।
তুরস্কের দাবি, খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার দিনে রিয়াদ থেকে ইস্তাম্বুল আসা সৌদি গোয়েন্দাদের ১৫ সদস্যের একটি দল কনস্যুলেটের ভেতরে ঢুকে খাশোগিকে খুন করেছে। এরপর তার দেহ খণ্ডবিখণ্ড করা হয়। তবে সৌদি আরব বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
তবে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের দাবি, কাজ শেষে কনস্যুলেট ত্যাগ করেছেন খাশোগি। যদিও দাবির স্বপক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারেনি দেশটি।
এ বিষয়ে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর রিয়াদ ও আঙ্কারা সফরে যান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। ‘সত্য উদঘাটনের লক্ষ্যে এই সফর’ বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
খাশোগি দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। সৌদি রাজতন্ত্রের কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি।
ইত্তেফাক/টিএস
তুরস্কের দাবি, খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার দিনে রিয়াদ থেকে ইস্তাম্বুল আসা সৌদি গোয়েন্দাদের ১৫ সদস্যের একটি দল কনস্যুলেটের ভেতরে ঢুকে খাশোগিকে খুন করেছে। এরপর তার দেহ খণ্ডবিখণ্ড করা হয়। তবে সৌদি আরব বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
তবে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের দাবি, কাজ শেষে কনস্যুলেট ত্যাগ করেছেন খাশোগি। যদিও দাবির স্বপক্ষে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারেনি দেশটি।
এ বিষয়ে ১৬ ও ১৭ অক্টোবর রিয়াদ ও আঙ্কারা সফরে যান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। ‘সত্য উদঘাটনের লক্ষ্যে এই সফর’ বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
খাশোগি দীর্ঘদিন ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। সৌদি রাজতন্ত্রের কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি।
ইত্তেফাক/টিএস