মুন্সীগঞ্জে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ গ্রেপ্তার ৩

মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে জেলেদের ভয় দেখিয়ে ইলিশ মাছ ও টাকা আদায়ের অভিযোগে সোহেল রানা নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ (এএসআই) ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে লৌহজং থানায় মামলা করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
 
সোহেল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দায়িত্ব পালন করে আসছে।
 
সোহেলের সহযোগী হল- মো. মোহন (২৪) ও লিটন শেখকেও (২২)। তাদের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার গ্রামে।
 
লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী জানায়, পদ্মা নদীতে জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ইলিশ নেওয়ার সময় স্থানীয় জনতা ও জেলেরা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এএসআই সঙ্গে আরও দুইজন আটক করে তারা।
 
ওসি আরও জানান, তিনি এর আগেও এখানে এসে জেলে ও সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে মাছ ও টাকা নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে জেলেরা খোঁজ নিয়ে দেখে সোহেল মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ না। তিনিসহ তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে লৌহজং থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবারই তাদের কোট হাজতে পাঠানো হয়েছে।
 
শ্রীনগর ও লৌহজং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমা জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সোহেল জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক মা ইলিশ ও টাকা আদায় করার সময়ে জনতা ও জেলেরা তাকে পাকড়াও করে থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
 
ইত্তেফাক/বিএএফ