কুমিল্লায় অভিজাত হোটেল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর এলাকায় অবস্থিত মায়ামি হোটেল এ- রেস্টুরেন্ট নামক একটি অভিজাত হোটেল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এ ঘটনায় র‌্যাব বাদী হয়ে রবিবার দুপুরে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় হোটেল মালিকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। 
 
অভিযানকালে র‌্যাব ওই হোটেলের দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করলেও পলাতক রয়েছেন ওই হোটেলের মালিক জেলার বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান এবং জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) আল খোমেনী। 
 
র‌্যাব জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকার মায়ামি হোটেল এ- রেস্টুরেন্টে শনিবার রাতে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার মো. রেজাউল হক ও সিনিয়র এএসপি শেখ বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। 
 
এসময় র‌্যাব ওই হোটেলের তৃতীয় তলার একটি স্টোর রুম থেকে ১ হাজার ৯৪৪ ক্যান বিয়ার, ২২ বোতল ফেনসিডিল, ৫ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার এবং হোটেলের ২ কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে। 
 
গ্রেপ্তারকৃত কর্মচারীরা হচ্ছেন- জেলার বুড়িচং উপজেলার সুন্দ্রম গ্রামের কবির আহমদের ছেলে মো. ইয়াছিন হোসেন (২২) ও একই গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে মো. মহসিন (২০)। 
 
রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার অধিনায়ক মো. রেজাউল হক সাংবাদিকদের জানান, হোটেলের মালিক মিজানুর রহমান ও জিএম আল খোমেনী এবং গ্রেপ্তারকৃত ২ জনসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলার বাদী র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লার ডিএডি মো. রবিউল হক। এ ঘটনার পর হোটেল মালিক মিজানুর রহমান ও জিএম আল খোমেনী পলাতক রয়েছেন। 
 
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ২ কর্মচারী জানিয়েছেন, ওই হোটেলটিতে যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছিল। 
 
কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া পিপিএম জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
 
ইত্তেফাক/জেডএইচ