পাবনার সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে ওয়ারেন্টভুক্ত সন্ত্রাসীকে জোরপূর্বক ছাড়িয়ে নেওয়ার সময় সন্ত্রাসী কর্তৃক পুলিশের পিস্তল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের ওপর হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এ ঘটনায় দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে পুলিশ।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে কাশিনাথপুর বাজার এলাকায় কাশিনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির একদল সদস্য এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সিয়ামকে (৩২) আটক করেন। এ সময় আটককৃতকে পুলিশের হাত থেকে কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সিয়ামের ৮/১০জন সহযোগী। তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে আসামির ছোট ভাই সাজাদ সিয়ামকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য এএসআই মামুনের কোমর থেকে পিস্তল বের করে পুলিশের দিকে তাক করতে থাকে। এনিয়ে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরে ফাঁড়ি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে বরাট গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে সন্ত্রাসী সিয়াম ও তার সহযোগী বরাট গ্রামের আলম কাজীর ছেলে নিবিড়কে (৩০) আটক করে।
সন্ত্রাসীরা সিয়ামকে ছিনিয়ে নিতে না পেরে যাওয়ার সময় পুলিশের ওপর ইট ছুঁড়ে মারার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় ফাঁড়ির এএসআই মামুন (৩৭) ও কনেস্টেবল সাগর (৩৫) রক্তাক্ত আহত হয়। আহতদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসার কথা স্বীকার করেন ফাঁড়ির ইনচার্জ আশরাফুল আলম।
সাঁথিয়া থানার (ওসি তদন্ত) আব্দুল মজিদ জানান, সিয়াম এলাকার চিহৃত চাঁদাবাজ। সে কাশিনাথপুর বাণিজ্যিক এলাকা থেকে চাঁদাবাজী করতো। তার বিরুদ্ধে অপহরণ, হামলা, চাঁদাবাজী ও মাদকসহ ১০/১২টি মামলা রয়েছে। সে ৭/৮টি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত হয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল।
পুলিশ ও সন্ত্রাসীর ধস্তাধস্তির ঘটনার সংবাদ পেয়ে বেড়া সার্কেল এএসপি আশিস বীন হাসান, সাঁথিয়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুই সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু