উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর দুই তীরে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার দাবি তুলেছে এলাকাবাসী। উপজেলা সদর থেকে মাত্র মাত্র তিন কিলোমিটার দুরত্বে শেখ হাসিনা ধরলা সেতুটি। এ উপজেলায় চিত্ত বিনোদনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় সেতুটি উদ্ধোধনের পর থেকে প্রতিদিন কম-বেশি বিভিন্ন এলাকার দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন ধরলার তীরে। দিন দিন দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা স্বপ্ন দেখছেন জায়গাটি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হলে এখানে প্রতিদিন কয়েক হাজার লোক পাশ্ববর্তী জেলা থেকে এসে ভিড় জমাবে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন পিকনিকে আসবে এবং মানুষের সমাগম ঘটবে।
নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে শেখ হাসিনা ধরলা সেতু দেখতে নিখিল চন্দ্র রায় ও লিপি রানী জানান, এ অ লের মধ্যে ফুলবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত ধরলা নদীর উপর শেখ হাসিনা সেতুটি দুই পাশেই নদী রক্ষা বাঁধটি খুব আকর্ষণীয়। এখানে ঘুরতে খুব ভাল লাগে। তাই সময় পেলে ঘুরতে আসি।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মাছুমা আরেফিন জানান, আমি অতি সত্বর সেতুর দুই পাশের রাস্তায় শোভাবর্ধনকারী ঔষধি গাছ বাসক লাগানোর ব্যবস্থা করবো। ফলে সেতুসহ নিকটবর্তী এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। সেইসঙ্গে দর্শনার্থীর সংখ্যাও আরো বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস। যেহেতু এ উপজেলায় চিত্ত বিনোদনের কোন ব্যবস্থা নেই বিষয়টি আমি খুব শিগগিরই জেলা প্রশাসককে জানাবো।
উল্লেখ্য, উপজেলা এলজিইডির তত্বাবধানে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থ ও প্রযুক্তিতে এই গার্ডার সেতুটির নির্মিত হয়েছে। চলতি বছরের ৩ জুন রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’টি উদ্বোধন করেন।
ইত্তেফাক/নূহু