২০১৯ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন করবে তুরস্ক

রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ২০১৯ সালের অক্টোবরে স্থাপন করবে তুরস্ক। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হুলুসি আকরকে উদ্ধৃত করে বৃহস্পতিবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
 
সম্প্রতি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কিনেছে তুরস্ক, যা ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া তুরস্কের এ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোর সদস্যভুক্ত দেশগুলো অবগতও নয়। যদিও ইতোমধ্যে এর ভেতর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক অবস্থা তৈরি করেছে।
 
তুরস্কের দৈনিক পত্রিকা হুর্রিইয়েটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংবাদ সংস্থা আনাদোলুতেকে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী আকর বলেন, এ ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দিতে কর্মী নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের প্রশিক্ষণ নিতে রাশিয়ায় পাঠানো হবে। পরে তারা আবার তুরস্কে ফিরে ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনার কাজে যোগ দিবে। তবে কোথায় তিনি এ কথা বলেছিলেন সে বিষয়ে প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হওয়া যায়নি।
 
এদিকে এস-৪০০ কেনার কারণে তুরস্ককে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এর ফলে তারা তুরস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ ছাড়াও অন্যান্য বিদ্যমান সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি বাতিল করবে। তবে এ চুক্তি নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে আঙ্কারা। তুরস্ক বলেছে, পশ্চিমা মিত্ররা বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টার সহযোগিতায় ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে আঙ্কারাকে ন্যাটোর বাইরে গিয়ে তার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হয়েছিল।
 
অবশ্য এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার সময় প্রেসিডেন্ট তাইয়েপ এরদোগান বলেছিলেন, ন্যাটোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আঙ্কারা অন্য দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তিগুলো সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে।-রয়টার্স।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ