ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পরপরই সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে গলা চিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ কেটে টুকরো টুকরো করে ঘাতকেরা। ইস্তাম্বুলের প্রধান প্রসিকিউটর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রসিকিউটর ইরফান ফিদান বুধবার এক বিবৃতিতে বলেন, সৌদি আরবের প্রধান প্রসিকিউটরে সঙ্গে আলোচনায় ফলপ্রসূ কোনো অগ্রগতি হয়নি। খাশোগির মরদেহ কোথায় ফেলা হয়েছে সে বিষয়েও আমরা নিশ্চিত নই।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, তার এই বক্তব্যে সৌদি আরবের ব্যাখ্যা আবারো প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সৌদি আরব প্রথমে বলেছিলো খাশোগি মারামারির সময় মারা গেছেন।
এদিকে খাশোগি হত্যার তদন্তে সৌদি আরবের সহযোগিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। তুর্কি সূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, তুরস্কের কাছে হত্যাকাণ্ডের কি কি প্রমাণ আছে তা জানার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক আগ্রহী ছিল সৌদি কর্মকর্তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তদন্তে সহযোগিতা করতে তাদের আগ্রহ কমই দেখা গেছে।
এদিকে প্রাথমিক তদন্ত শেষে তুরস্ক ছেড়ে গেছেন সৌদি আরবের প্রধান প্রসিকিউটর। অন্যদিকে খাশোগির হত্যার তদন্তে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। সৌদির কাছে খাশোগির লাশ খুঁজে বের করার দাবিও জানিয়েছে সংস্থাটি।
প্রসঙ্গত, সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের সনদ নিতে গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে নিখোঁজ হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। গত ২০ অক্টোবর সৌদি আরব প্রথমবারের মতো স্বীকার করে যে কনস্যুলেট ভবনে মৃত্যু হয়েছে খাশোগির।
ইত্তেফাক/জেডএইচ