যশোরের বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের নাসির উদ্দিন গরু পালন করে এখন কোটিপতি। মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে শুরু করা নাসিরের খামারে এখন রয়েছে ছোট বড় ৮০০টি গরু।
এক সময় গরুর খাটাল খ্যাত ছিল পুটখালী সীমান্ত। ২০১৪ সালে সরকারিভাবে ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ হয়ে গেলে এই গরুর খাটালটিও বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয় এলাকার মানুষের গরু ব্যবসা। বেকার হয়ে যায় অত্র অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। অন্য সবাই গরুর ব্যবসা ছেড়ে অন্য পেশায় গেলেও নাসির উদ্দীন যাননি। এই খাটালেই ২০০২ সালে মাত্র পাঁচটি গরু দিয়ে খামার করেন তিনি। তার খামারে এখন ছোট বড় ৮০০টি গরু রয়েছে। গরু দেখাশোনার জন্য ৭৫ জন রাখাল কাজ করেন। তাদের বেতন ১৮ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
খামারে কর্মরত রাখাল আলামীন ও রবিউল ইসলাম জানান, পুটখালীর গরুর খাটালটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমরা বেকার হয়ে পড়ি। এখন নাসির উদ্দিনের খামারে কাজ করে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো আছি।
পুটখালী গ্রামের বুদো সর্দারের ছেলে নাসির উদ্দিন, এখন আমার খামারে ৮০০ গরু আছে। খামার করে এলাকার বেকারদের কর্ম দিতে পেরেছি সেটাই আমার শান্তি। অনেক ব্যাংক আমার খামারে স্বল্প সুদে লোন দিতে চাই কিন্তু আমি নিই না। তবে প্রথম দিকে খামার করতে বেশ খরচ হয়। সেই সময় আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫ কোটি টাকা লোন নেওয়া আছে। যা পরিশোধের পথে।
যশোর জেলা পশু সম্পদ কর্মকর্তা ড. রাশেদুজ্জামান জানান. পুটখালীর এ খামারটি একটি লাভজনক খামারে পরিণত হয়েছে। আমাদের পশু সম্পদ বিভাগের ডাক্তাররা সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে।