রায়গঞ্জে চলতি মৌসুমে সরিষাখেত থেকে মৌ-খামারিরা প্রায় ৯ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করেছেন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে হয়েছে সরিষা চাষ। এসব খেতে মৌবাক্স বসিয়ে খামারিরা ৮.৮৫০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করেছেন। গত বছর সরিষা চাষ হয়েছিল ২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে। মধু সংগ্রহ করা হয়েছিল প্রায় সাড়ে চার মেট্রিক টন। ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা এবার ব্যাপকহারে সরিষার আবাদ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকার পাশাপাশি ব্যাপকসংখ্যক মৌমাছির আগমন লক্ষ্য করা গেছে। ফলে সরিষাখেতের ফুলে পরাগায়ন হয়েছে আশাতীত। এতে এবার সরিষারও বাম্পার ফলন হয়েছে।
সাতক্ষীরা থেকে আসা মৌ-খামারি আলাউদ্দিন, রাজু, পাবনা থেকে আসা আসলাম ও স্থানীয় মৌ-খামারি আশরাফ আলী জানান, তারা গত বছরের তুলনায় এবার বেশি মধু সংগ্রহ করেছেন। দামও ভালো। মাঠেই মধু বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি দরে।
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র কুটির শিল্প (বিসিক) সিরাজগঞ্জ কার্যালয়ের এজিএম মো. সাজিদুল ইসলাম বলেন, মধু উৎপাদনের মাধ্যমে আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ জেলায় ইতিমধ্যে ১৩২ জন মৌ-খামারিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।