আফিফের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি

দলের বিপর্যয়ে হাল ধরে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিলেন আফিফ হোসেন।  ৬৪ বলে তিনি ফিফটির দেখা পান।

৩৩ ওভার শেষে টাইগারদের সংগ্রহ ৬ উইকেট ১৩৫ রান। মিরাজ ৩৯ ও আফিফ ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিকরা। এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট বিভ্রাটের কারণে আলোর স্বল্পতা দেখা দেয়। ৩০ ওভারের পর থেকে ১৫ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। ফজল হক ফারুকির লেন্থ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। শুরুতে আম্পায়ার সাড়া দেয়নি। আফগানিস্তান রিভিউ নিলে তাদের পক্ষে যায়। মাত্র ১ রান করে ফিরে যান লিটন। লিটন দাসের পর একই ওভারে সাজঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল।  আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় আফগানিস্তান। রায় তাদের পক্ষে যায়। তিনি ৮ বলে ৮ রান করেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম।  তামিমের পর সাজঘরে ফিরেন মুশফিকুর রহিম। ৫ বলে তিন রান করে এলবিডব্লিউ-এর ফাঁদে পড়েন তিনি।  বোল্ড হয়ে ফিরে যান অভিষিক্ত ইয়াসির আলী রাব্বি। ৫ বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন তিনি। বিপদে মুখে দলের হাল ধরতে পারলেন না সাকিব আল হাসান। ১৫ বলে ১০ বলে মুজিব উর রহমানের বলে আউট হন তিনি।  বোলিং করতে এসেই সাফল্য পেলেন রশিদ খান। দ্বিতীয় বলে ফেরালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। ৮ রান করে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২১৫ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি সফরকারীরা। আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৭  রান করেছেন নাজিবুল্লাহ জাদরান। ইনিংসের ৪৯তম ওভারে শরিফুলের বলে আউট হন তিনি। এর এক ওভার পরেই অলআউট হয় তারা। শেষ ওভারের প্রথম বলেই দশম উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ। এতে সফরকারীদের ইনিংস থামে ২১৫ রানে।

 

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। ৯.১ ওভারে ৩৫ রান দিয়েছেন তিনি। এছাড়া তাসকিন, সাকিব ও শরিফুল যথাক্রমে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। অন্য একটি উইকেট নিয়েছেন মাহমুদুল্লাহ।