পটুয়াখালীর দুমকিতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপির স্থানীয় কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। শনিবার (৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের গ্রামীণ ব্যাংক সড়কে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ সফল করতে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। একই সময়ে সারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে আওয়ামী যুবলীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল ঐ এলাকা অতিক্রমকালে দুই গ্রুপে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। দুই পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপে এলাকাটি রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা বিএনপির কার্যালয়ে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেন।
আহতদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খলিলুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল আলম মৃধা, পুলিশ কনস্টেবল দেলোয়ার হোসেনসহ সাত জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি পরস্পরকে দায়ী করেছে। দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুস সালাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লৌহজংয়ে লাঠিচার্জ, আহত ১০: মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, জেলার লৌহজংয়ে দুপুরে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিএনপির মিছিলে পুলিশ হামলা চালায়। এ সময় লাঠিচার্জে ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ বিএনপির এক কর্মীকে আটক করেছে। উপজেলার বাজারে বিএনপি মিছিল বের করলে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ফেসবুকে এ ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি ও বাগবিতণ্ডা হচ্ছে। তবে লৌহজং থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, পুলিশ কোনো লাঠিচার্জ করেনি।