ঘুম নিয়ে অবহেলা নয়

মা নসিক চাপ বা ডিপ্রেশন নানা কারণে হতে পারে। মানসিক চাপ বেশি থাকলে কি ঘুম কম হয়? এটা নিয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা করেছেন।

এসব গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের সবচেয়ে কম মানসিক চাপ বা মাইল্ড ডিপ্রেশন রয়েছে, তাদের অন্তত ১৭ শতাংশ নারীর কম ঘুম হয়। আর ডিপ্রেশন যত বেশি হবে, ঘুমও তত কম হবে। আর এই কম ঘুমের কারণ হিসেবে রয়েছে নেতিবাচক চিন্তা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, শারীরিক দুর্বলতা, শরীরে ব্যথা এবং সন্দেহপ্রবণতা ও আস্থার সংকট, ক্যাফেইন, অ্যালকোহল ও মাত্রাতিরিক্ত ধূমপান ইত্যাদি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলিপ ডিজঅর্ডার আর ডিপ্রেশন নিয়ে মতের ভিন্নতা রয়েছে। তাদের ভাষ্য, মানসিক চাপ থেকে ঘুমের সমস্যা হয়, নাতুবা ঘুমের সমস্যা থেকে মানসিক চাপ তৈরি হয়। সাইকোলজিস্ট আরতি গুপ্তার মতে, মানসিক ডিপ্রেশনের কারণে ঘুমের সমস্যা হয়। যে কারণে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়। শুধু তাই নয়, ড. গুপ্তা আরো মনে করেন, রাতে ঠিকঠাকমতো ঘুম না হলে পরদিন কাজকর্মে মনোযোগ থাকে না এবং শরীর বেশ টায়ার্ড থাকে। মনও ভালো থাকে না। মানসিক চাপও থাকে। ফলে পরের রাতেও ঠিকমতো ঘুম হয় না। আর ঘুম যদি ভালো না হয়, তবে শুধু যে মানসিক সমস্যা হয় তা-ই নয়, ব্লাড প্রেশার, সুগার বেড়ে যেতে পারে। হতে পার হার্টের সমস্যা।

সাধারণত এক জন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের রাতে স্বাভাবিকভাবে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হয়। তাই অবশ্যই আমাদের ভালো ঘুমের চেষ্টা করতে হবে। ঘুমের ওষুধ খাওয়া একেবারেই চলবে না।

লেখক: চুলপড়া, অ্যালার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ