রাতের কিছু ভুল খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসের কারণে অনেকেরই বুকজ্বালা, টক ঢেকুর, পেট ফাঁপা কিংবা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যা মারাত্মক রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে রাতের খাবার শেষ করেই দ্রুত ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস এই শারীরিক অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। তবে একেক জনের শরীরে খাবারের প্রতিক্রিয়া একেক রকম হতে পারে, তাই সবার ক্ষেত্রে একই খাবার সমানভাবে সমস্যা তৈরি করে না।
১. অতিরিক্ত ঝাল ও তেলযুক্ত খাবার
ঝাল তরকারি, তেলে ভাজা খাবার, পরোটা কিংবা অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস কিছু মানুষের বুকজ্বালা ও অ্যাসিড রিফ্লাক্সের উপসর্গ বাড়াতে পারে। রাতে বেশি পরিমাণে এসব খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
২. চকলেট
চকোলেট কিছু মানুষের খাদ্যনালির নিচের পেশির কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এসে বুকজ্বালা বা টক ঢেকুরের সমস্যা বাড়াতে পারে।
৩. কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়
কফি, শক্ত চা এবং কিছু ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় সংবেদনশীল ব্যক্তিদের বুকজ্বালা বাড়াতে পারে। রাতে এগুলো পান করলে ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
রাতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে যা করবেন
১. ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।
২. একবারে অনেক খাবার না খেয়ে পরিমিত খাবার খান।
৩. খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না।
৪. কোন খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে, তা খেয়াল করুন এবং সেই খাবার কমিয়ে দিন।
সাধারণভাবে যাকে আমরা ‘গ্যাস্ট্রিক’ বলি, তা কখনো অ্যাসিড রিফ্লাক্স, কখনো বদহজম বা অন্য পেটের সমস্যাকে বোঝায়। সব খাবার সবার সমস্যা বাড়ায় না। বারবার বুকজ্বালা, তীব্র পেটব্যথা, গিলতে অসুবিধা, রক্তবমি বা কালো পায়খানা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
