ভি ন দে শি

৫ জন ভিনদেশি

সাধারণ মানুষের সাথে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে সমঝোতা কিংবা সেতু তৈরি করার কাজটি যিনি করেন তিনি পাবলিক রিলেশন অফিসার। এসব কাজের সাথে জড়িয়ে আছে বিশ্বের নানা জায়গায় ছড়িয়ে থাকা কিছু মেধাবী তরুণ-তরুণী। তাদের কথা লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম রে বে কা ও য়ে ল চ মার্কেটিং অ্যান্ড মিটিয়া মনস্টারস নামের কোম্পানির সহ-উদ্যোক্তা এবং বর্তমান সিইও। তিনি ইস্ট এশিয়ার এক ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস অ্যাডমিনস্ট্রেশনের উপর ডিগ্রি নেন। পরবর্তীতে মাস্টার্সের জন্য আমেরিকাতে আসেন। আমেরিকার ‘কার্নিগ মেলন ইউনিভার্সিটি’ থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি বিজনেস অ্যাডমিস্ট্রেশনের উপর পড়াশোনা করলেও তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে ইনফরমেশন টেকনোলজি ফিল্ডে। ২০০৫ সালে তাকে ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’ পুরস্কার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ঠিক ৪ বছর পরে পান ‘আমেরিকাস বেস্ট পিআর’ অ্যাওয়ার্ড। তরুণ পিআর ক্যাটাগরিতে তিনি মনোনীত হন। র বা র্টো মে য়া র তিনি এইএলটিআই কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে কাজ করছেন। পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। তিনি তার ইউনিভার্সিটি মাঝপথেই ছেড়ে দেন। মূলত ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে একবারেই পড়াশোনা বাদ দেননি। কাজের ফাঁকে ঘরে কিংবা অফিসে বসেও তিনি মার্কেটিং বিষয়ে পড়াগুলো চালিয়ে যান। তিনি ২০০৪ সালে তার ব্যাচেলর ডিগ্রি নেন। তার সাবজেক্ট ছিল বিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং। বন্ধুদের সাথে ব্যবসার কাজ করার সময় দু’জন ব্যবসায়ীর সাথে তার পরিচয় হয়। তারাই তাকে এইএলটিআই কোম্পানিতে জয়েন করার প্রস্তাব দেন। স্ক ট কু ট লি প স্কটের জন্ম হয় মিনিয়েসটার উইনোয়াতে। তার মা যখন মারা যান, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৮ বছর। এর কিছু বছর পরে তিনি ও তার ছোট ভাই জিম তাদের দাদির কাছে চলে এসেছিলেন। সেখানকার একটি ডেইরি ফার্মে কাজ করতেন তারা। এরপর তিনি ও তার ছোট ভাই সেখানেই এক স্কুলে ভর্তি হন। তিনি উইলিয়াম উডস ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তিনি মার্কেটিং বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি নেন। এরপর তিনি ২০০২ সালে নিউ জার্সির এক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। এরপর সেখান থেকেই ভাগ্যক্রমে পেয়ে যান সুযোগ। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েই তিনি আজ পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে কাজ করছেন। ড্যা রে ন হে ই টা র ফোর্বস ম্যাগাজিনের কন্ট্রিবিউটার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তাকে পিআর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করেন। তিনি লাইফ ম্যাগাজিনের বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার হেনরি’র একমাত্র সন্তান। খুব ছোটকাল থেকেই তিনি ব্যবসার দিকটি খুব ভালো বুঝতেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি ১৬০০ ডলার আয় করেছিলেন। তাও নিজের পরিশ্রমে, কারও সহায়তা নেননি তিনি। ইউনির্ভাসিটি থেকেই তিনি পাবলিক রিলেশনের নানা কাজ করেছেন। একসময় এই প্রচেষ্টাই তাকে যোগ্য পাবলিক রিলেশন অফিসারে পরিণত করে। আজ তিনি সফল পাবলিক রিলেশন অফিসারদের একজন। ডে ভি ড গে ই জা র পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে তিনি বেশ জনপ্রিয়। তার এই সাফল্য এত বেশি প্রচার পায় যে পরবর্তীতে তার খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাগুলোতে আসে। টেলিভিশনে প্রচার করা হয় তার সাক্ষাত্কার। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তিনি অংশ নিতে থাকেন। যেমন, অপেরা শো, ফক্স নিউজ. সিএনবিসি এবং অবশ্যই নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতো পত্রিকাতে। ২০০৮ সালে তিনি অপেরার সাথে জড়িত হন। সেই অনুষ্ঠানের একটা ফিচারের মাধ্যমে তিনি ‘অপেরাস বিগ গিভ’ খেতাব পান। অপেরা শোয়ের অনেক বড় একজন পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে নাম লেখান। সে বছর তিনি আমেরিকার ১০ জন কনিষ্ঠ সফল পিআরও-দের একজন হন।