অন্য তারুণ্য’
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৪৮
তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
শো না র গা ন
জলের ভেতর জলের চলন
শিল্পী :এসআই টুটুল
প্রকাশক :অগ্নিবীণা
গানের কথা
এসআই টুটুলের ফোক-ফিউশন অ্যালবাম ‘জলের ভেতর জলের চলন’। ‘হূদয় চুরি’, ‘জলের ভেতর জলের চলন’, ‘ভবের হাট’, ‘মনবাড়ি’, ‘ভালোবাসি তারে’, ‘রঙের মানুষ’, ‘রঙিন দালান’, ‘হূদয়ের লেনাদেনা’, ‘পরবাসী’ ও ‘মা’ শিরোনামের ১০টি গান রয়েছে এ অ্যালবামে। গানগুলো লিখেছেন সম্রাট সুমন, প্রয়াত তারেক শাহরিয়ার, মাসুম রেজা, জাহিদ আকবর, মোহাম্মদ আলী, সোমেশ্বর অলি, মেঘদূত, সাইফুল ইসলাম মাননু ও তুষার। সুর করেছেন এসআই টুটুল, ফরিদ আহমেদ, খসরু আহমেদ, লুত্ফর হাসান ও তুষার। আর পুরো অ্যালবামটির সংগীত পরিচালনা করেছেন টিপস (পার্থ মজুমদার, এসআই টুটুল, রাজিব, তানিম ও জালাল)।
দে খা র ছ বি
দ্যা পিয়ানিস্ট
পরিচালক : রোমান পোলান্সকি
ছবির কথা :চলচচিত্রটি ২য় বিশ্বযু"ের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এবং সত্যঘটনা অবলম্বনে তৈরী। প্রথম ৪০-৪৫ মিনিট দেখে মন খুবই খারাপ হয়ে যেতে পারে। পোল্যান্ড নিবাসী স্পিলম্যান, একজন মেধাবী কিন্তু নিরীহ পিয়ানোবাদক, তার বাবা-মা আর তারা ৪টি ভাইবোন ভয়াবহ বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় যখন জার্মান নাজি বাহিনী পোল্যান্ড আক্রমণ করে, এভাবেই এগিয়ে চলে কাহিনী।
কেন দেখবেনঃ চলচ্চিত্র মাত্রেই সময়ের কথা বলে। মেকিং, পরিচালনা এবং অভিনয়ের কারণে ছবিটি দেখার সময় আপনার একবারও মনে হবে না যে আপনি বর্তমান সময়ে আছেন, ছবিটি নিজ গুণেই আপনাকে সেই সময়ে টেনে নিয়ে যাবে।
ত থ্য ক ণি কা
যমুনা সেতু
বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড?ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয?ার দীর্ঘতম সেতু।১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয?। এটি যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভ"য?াপুর এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১৩তম এবং দক্ষিণ এশিয?ার ৫ম দীর্ঘতম সেতু।যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে বৃহত্তর এবং প্রবাহিত জল আয?তানিক পরিমাপের দিক থেকে বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম। সেতুটি বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিম অংশের মধ্যে একটি কৌশলগত সংযোগ প্রতিষ্ঠিত করে। এটি অত্র অঞ্চলের জনগণের জন্য বহুবিধ সুবিধা বয?ে আনে, বিশেষত অভ্যান্তরীন পন্য এবং যাত্রী পরিবহন ব্যবস্হা দ্রত করে ।
স ফ ল দে র স্ব প্ন গাঁ থা
সালমান খান
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সালমান খানের জন্ম ১৯৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলিন্সে। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন নির্বাচিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির মধ্যে স্থান পেয়েছেন সালমান। তার বয়ানেই শুনি কিছু কথা, ‘২০০৯ সালে আমি যখন খান একাডেমি শুরু করি তখন আমি একটা সাজানো-গোছানো, সুনিশ্চিত ভবিষ্যতের মাঝপথে। কিন্তু একদিকে চাকরি আরেকদিকে খান একাডেমি, দুটোকে একসঙ্গে সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। আমি তখন আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমাদের হাতে কী পরিমাণ টাকা-পয়সা আছে তার হিসাব করতে বসলাম। আমি তাকে বোঝালাম কীভাবে খান একাডেমি দিয়ে শিক্ষার প্রচলিত ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে মানুষের শেখার ধরনকেই আমূল বদলে ফেলা যাবে, কীভাবে পৃথিবীজুড়ে মানুষ ঘরে বসে বিনা খরচে শিখতে পারবে, রাতারাতি না অনেক কষ্টেই আমার খান একাডেমি গড়ে তুলেছি। ’
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র