৫ জন ভিনদেশি পুষ্টিবিদ
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:০৪
নিউট্রিশন বা পুষ্টি আমাদের সবার জন্যই প্রয়োজনীয়। সুতরাং আমাদের সবারই জেনে রাখা প্রয়োজন কোন খাবার আমাদের পুষ্টির জোগান দেবে। কোনটি আমাদের জন্য উপকারী। এসব তথ্য জানানোর জন্য যেসব নিবেদিত মানুষ কাজ করছেন তাদের বলা হয় পুষ্টিবিদ। এমনই কিছু তরুণ পুষ্টিবিদ যারা নিজের কাজ দিয়ে সারা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তাদের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
---
ব্রা ই ট ন
তিনি ব্রিটেনের মাটিতে অধিক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তার খাদ্য বিষয়ক টেলিভিশন শো ‘কুক বুক’-এর কারণে। এ ছাড়াও একবার এক ক্যাম্পেইন করেছিলেন স্কুলের শিশুদের জন্য প্রসেস করা খাদ্যের জন্য। তিনি অস্বাস্থ্যকর খাবারের চরম বিরোধী। এই কারণে ব্রিটেন এবং আমেরিকার বিভিন্ন চ্যারিটিতে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। তবে এই সব ছাড়িয়ে তিনি বিশেষভাবে তার তৈরি ইটালিয়ান ধাঁচের খাবারের জন্য বিখ্যাত। একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে তিনি সবাইকে এই ব্যাপারে সহায়তা করতে চান, পাশাপাশি পুষ্টি সম্পর্কে সবাইকে আগ্রহী করে তুলতে চান।
---
পা মে লা লি
খুব ছোটবেলা থেকেই রন্ধনশিল্পে ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন মনের ভেতর পুষে রেখেছিলেন পামেলা। তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয় রন্ধনশিল্প নিয়ে বিখ্যাত টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘ফুড নেটওয়ার্ক প্রোগ্রাম জিয়াদা অ্যাট হোম’-এর মাধ্যমে। পাশাপাশি তিনি বিখ্যাত টিভি প্রোগ্রাম এনবিসি টুডে-এর একজন কো-হোস্ট হিসেবে সুপরিচিত। সেই সাথে তিনি ক্যাটারিং বিজনেস জিডিএল-এর একজন উদ্যোক্তা। তার অবশ্য আরও বড় একটি পরিচয় রয়েছে, সেটা হলো, তিনি একজন পুষ্টিবিদও। মানুষের মাঝে পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে তিনি নিরলস কাজ করছেন।
---
কো লি ন কে. ই য় ং
সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের কাজের ক্ষেত্রও বাড়ছে। নিত্য নতুন এসব কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যুক্ত করে অনেকেই সফলভাবে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছেন। অনেক পরিশ্রম প্রয়োজন সফলভাবে কাজ করার জন্য। সেই পরিশ্রমের জোগান দিতে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবারের। এমনই সব খাবারের নির্দেশনা দিয়ে আসছেন কোলিন কে. ইয়ং। তিনি তার পড়াশোনা শেষ করেছেন নর্থ ব্রেক ইউনিভার্সিটি থেকে। পরবর্তীতে বেশকিছু সময় গবেষণার কাজ করেছিলেন। এরপর মেডিকেল টিমের সাথে কাজ শুরু করেন। কয়েকজন নামকরা পুষ্টিবিদের তালিকায় তাকে ফেলা যায় অনায়াসেই।
---
ড. লি সা
লিসা পেশায় একজন পুষ্টিবিদ। তিনি নিজের প্রাইভেট কেয়ারে কাজ করেন। সেই সাথে তিনি একজন শিশু বিশেষজ্ঞ। তিনি তার ইউনিভার্সিটি শেষ করার পরে একটি সাইন্টিফিক দলের সাথে কাজ করেন বেশ কয়েক বছর। তবে নিজস্ব এই কেয়ারটির উদ্যোগ নেন তিনি তার আগ্রহ থেকে। তিনি নিজে একজন ভোজনপ্রেমী। তাই তিনি মনে করেন আমাদের সবারই এই ব্যাপারে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। আর সেই চিন্তা থেকেই তার পুষ্টিবিদ হওয়ার শুরু। বর্তমানে এই ব্যাপারে তিনি একজন অভিজ্ঞ।
---
বে থ অ্যা নি ই য় ং
ভার্জিনিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রী ছিলেন বেথ অ্যানি ইয়ং। তিনি হিউম্যান নিউট্রিশনের উপর তার গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে সেখানেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরে মাস্টার্স-এর জন্য সেই ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি তার পিএইচডি করছেন। খুব ছোটবেলা থেকে তার ইচ্ছে ছিল এই বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা করবেন। এ জন্য তিনি তার পরিবারের কাছ থেকেও সহায়তা পেয়েছেন। বিশেষ করে বাবার সহযোগিতা পেয়েছেন। আর আজ তিনি একজন সফল পুষ্টিবিদ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন।