প্রজন্ম সংবাদ

তরুণ আর্ট ডিরেক্টর জেনিন ক্লাউডিয়া ম্যাসাচুসেটস ইউনিভার্সিটির আর্ট সেকশনে ছিলেন জেনিন ক্লাউডিয়া । সেখান থেকে প্রিন্টিং মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন। নিউ ইয়র্ক টাইমসে কাজ করতেন তিনি। সেই সাথে চালিয়ে যেতেন তার পড়াশোনা। সেখানে তার সাথে পরিচয় হয় পল স্কারচারের সাথে, তার মাধ্যমে তিনি স্ক্রিন রাইটারের কাজ পেয়েছিলেন। তবে তিনি এই কাজের সাথে লেগে থাকার পরেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন। আর্টের হিস্টোরি নিয়ে পড়াশোনা করতেন তিনি। সেখান থেকে চার্লি নামের এক ব্যক্তি তাকে মিডিয়াতে কাজ করার প্রস্তাব দেন। তিনি ফিউচার ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন দেখেন। ছেড়ে দেন প্রিন্টিং মিডিয়া। যোগ দেন গ্ল্যামার জগতে। মাত্র ২২ বছর বয়সে, চার্লিস এমিসেস স্টুডিওর আন্ডারে কাজ করতেন। সেখানে তিনি ১০০টির মতো ছোট ছোট কাজ করেছেন, বেশিরভাগই ছিল এডুকেশনাল ডকুমেন্ট্রি। তবে ফিল্ম বিজনেসে প্রবেশ করেন তিনি আকস্মিকভাবে। তিনি বেশ কয়েকবার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন। ‘এল এ কনফিডেনশিয়াল’, ‘সিবিস্কিট’ ও ‘দ্য গুড শেপার্ড’ সিনেমার জন্য তিনি এই মনোনায়ন পেয়েছিলেন। ধনঞ্জয়ের গণিত জয় সদ্য উচ্চমাধ্যমিকের উঠোন পেরোনো সেই ধনঞ্জয় বিশ্বাসই গণিতের আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশকে তুলে ধরেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ অর্জন করেছে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) প্রথম রৌপ্যপদক। ধনঞ্জয় ২০১২ সালে আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত ৫৩তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে এ সাফল্য লাভ করেন। এর আগে ২০১১ সালে একই প্রতিযোগিতায় ধনঞ্জয় পেয়েছিলেন ব্রোঞ্জপদক। বিশ্বের ১০০টি দেশের ৫৪৮ জন খুদে গণিতবিদ মনোযোগী হয়ে আছে গণিতের সমস্যা সমাধানে। শুধু এ অর্জনই নয়। একই বছর (২০১২) ইতালিতে অনুষ্ঠিত ২৪তম আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডে (আইওআই) প্রোগ্রামিং সমস্যা সমাধান করে বাংলাদেশের পক্ষে দুই জন ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে। ৮১টি দেশের ৩১৭ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ব্রোঞ্জ পদকজয়ী দুই বাংলাদেশির মধ্যেও একজন ধনঞ্জয়। আইএমওতে এর আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল ব্রোঞ্জ পদক। প্রথমবারের মতো রৌপ্যপদক জয়ে বিশ্বে আবার ছড়িয়ে পড়ল বাংলাদেশের নাম। রৌপ্য জয়ের আগে ২০১১ সালে ৫২তম আইএমওতে এ ব্রোঞ্জ পদকও অর্জন করেছিলেন ধনঞ্জয় বিশ্বাস। চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগে পড়াশোনা করছেন ধনঞ্জয়। ধারাবাহিকভাবেই নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে চলেছেন তিনি। ব্যবসায়ী বাবা মিলন কান্তি বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্যকর্মী মা স্বপ্না রানী দের দুই সন্তানের মধ্যে বড় ধনঞ্জয়। তার ধ্যানজ্ঞান গণিত আর প্রোগ্রামিং। আন্তর্জাতিক গণিত আর প্রোগ্রামিং আসরে ভবিষ্যতে আরও বড় সফলতা আসবে বাংলাদেশের, তার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন ধনঞ্জয়।