সব সময় কিসমিস

কিসমিস খুব উপকারী একটি খাবার। এর খাদ্যগুণ বলে শেষ করা যাবে না। কিসমিস বেশ ভালো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরের কোষগুলোকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। কিসমিস ত্বক ভালো রাখে। এটি নিয়মিত খেলে আপনার তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। মিষ্টিজাতীয় খাবার হলেও কিসমিস দাঁত ও মুখের কোনো ক্ষতি করে না। বরং ওরাল হেলথের জন্য কিসমিস বিশেষ উপকারী। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ওরাল ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করতে সাহায্য করে। কিসমিসের শর্করা মূলত ফ্রুক্টোস এবং গ্লুকোজ জাতীয়। এর ফলে দাঁতে কোনো ক্যাভিটি তৈরি হয় না। তাই সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারে ফ্রুট সালাদে কিসমিস রাখতে পারেন। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও ত্বক উজ্জ্বল রাখতে গাজর ও নানা রকম ফল নিয়মিত খেতে বলা হয়। কারণ এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ। সঠিক পরিমাণে এগুলো পেতে হলে দিনে অন্তত ৩টি ফল খেতে হবে। এটি সব সময় সম্ভব না হলে একমুঠো কিসমিস হতে পারে এর দারুণ বিকল্প। একমুঠো কিসমিস বাদামের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে হাই এনার্জি, প্রোটিন এবং ফাইবার পাবেন। আবার অ্যানিমিয়া কমাতে এবং ওজন বাড়াতে কিসিমিস সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে—এনার্জি ৩০৪ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ৭৪.৬ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৮ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ২০.৪ মিলিগ্রাম। তাই পরিবারের সব সদস্যের প্রয়োজনে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কিসমিস রাখুন।