গ্লাসগো কলেজে মেরিনে ভর্তি
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৬:১০
একটা সময় যেকোনো বিষয়ে একাডেমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করে উন্নত ক্যারিয়ার গড়ার যেত। এখন আর সে সুযোগ নেই। কারণ প্রচরিত বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। তাই চাকরির বাজারে তাদের মুখোমুখি হতে হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার। এ ছাড়া ব্যতিক্রমী কোনো পেশায় তারা লোক পায় না তাদের সাধারণ বিষয় নিয়ে পড়াশোনার কারণে। এই বাস্তবতায় এখন অনেক শিক্ষার্থী ব্যতিক্রমী বিষয়ে পড়াশোনা করতে এবং ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এমন একটি বিষয় মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং। এ বিষয়ে পড়াশোনা করে উন্নত ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব হয়। কারণ এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তেমন কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই। অনেকেই জানেন না এ বিষয়টি কোথায় এবং কিভাবে পড়া যায়। যারা ব্যতিক্রমী বিষয় হিসেবে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আগ্রহী তাদের জন্য এবার কিছু আলোচনা। আমাদের দেশে বেশকিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইদানীং এ বিষয়টি পড়ানো হচ্ছে। এ পড়ার জন্য আমাদের দেশে ইউকের দ্য সিটি অব গ্লাসগো কলেজের অধীনে ওয়ের্স্টান মেরিন একাডেমি দুই বছর মেয়াদি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নটিক্যাল সায়েন্সে এইচএনডি কোর্স চালু করেছে। যে কোর্সের প্রথম বছর বাংলাদেশে এবং দ্বিতীয় বছর ইউকেতে সম্পন্ন করতে হয়। এ সম্পর্কে আরও জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে :০১৮৪১১৬১১৬১, ০১৭৩১০০৬৯৮৯। আর এই কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য রয়েছে জাহাজে চাকরির নিশ্চয়তা। ভালো আয়ের নিশ্চয়তা দেয় এমন পেশাগুলোর মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং অন্যতম। এর বিশেষ কারণও রয়েছে, বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশ পণ্যই পরিবাহিত হয় শিপিং ইন্ডাস্ট্রি দ্বারা। বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক আয়ের প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার আসে ৫০,০০০ মার্চেন্ট শিপ থেকে। বর্তমানে ১৫০টিরও বেশি দেশের ওয়ার্ল্ড ফিড নিয়ন্ত্রিত প্রায় তের লাখ সিফেয়েরারস সারা বিশ্বে শিপিংয়ে কর্তব্যরত, যার বেশিরভাগ সিনিয়র কর্মকর্তাই উন্নত দেশগুলোর। তবে ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তা এবং বেশিরভাগ রেটিং তাদের দখলে। উল্লেখ্য, বর্তমানে আন্তর্জাতিক জাহাজ শিল্পে ১ লাখ মেরিন কর্মকর্তা ও ৫ লাখ নাবিকের তীব্র সংকট রয়েছে। এ সুযোগ নিতে হলে আমাদের দেশে এখন থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে ৮০০ থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার মেরিন অফিসার তৈরি করা দরকার। ২০০৯ সালে আমাদের পাশের দেশ ভারত ৮৭,০০০ এবং চীন ১,৫৫,০০০-এর উপরে মেরিন অফিসার ও নাবিক তৈরি করেছে। বর্তমানে আমাদের দেশেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর পড়াশোনার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করছেন স্বাচ্ছন্দ্যে।
ভর্তির যোগ্যতা :আগ্রহী শিক্ষার্থীর এসএসসি ও এইচএসসি’তে গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে আলাদাভাবে ৩.৫ ও ইংরেজিতে ৩.০ থাকতে হবে অথবা আইইএলটিএস গড় স্কোর ৫.৫ হতে হবে। এ ছাড়া উভয় পরীক্ষায় জিপিও গোল্ডেন ৫ প্রাপ্তদের জন্য বিশেষ স্কলাশিপের ব্যবস্থা রয়েছে ওয়েস্টার্ন মেরিন একাডেমিতে। এ নিয়ে আরও জানতে যোগাযোগ :ওয়েস্টার্ন মেরিন একাডেমি রূপসী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ। সমুদ্রে নীলে এক দুঃসাহসী ক্যারিয়ার গড়তে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং তাই এক বিশেষ সুযোগ।