ভিন্ন আয়োজনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

যানজটে নাকাল হতে হয় তরুণ শিক্ষার্থীদেরও। যানজটের কারণে শিক্ষার্থীরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসও মিস করে থাকে। শুধু তাই নয় এর চাপ তাদের মানসিকভাবে বহন করতে হয়। সঠিক সময়ে কলেজে পৌঁছাতে পারবো কি না, পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাবে না তো—এরকম আরও নানা দুশ্চিন্তায় তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীর বাসস্থান থেকে দূরে হলে যানজট একটি নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এ সমস্যার শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরাও বিচলিত থাকেন। এ জাতীয় সমস্যার সমাধানের উদ্দেশ্যে শিক্ষাবিদ লায়ন এমকে বাশার, পিএমজেএফ দেশব্যাপী কমিউনিটি বেজড শিক্ষাসেবার লক্ষ্যে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শাখা খোলার উদ্যোগ তথা পরিকল্পনা হাতে নেন। এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পড়তে গিয়ে শিক্ষার্থীকে যাতে ঢাকার অন্য প্রান্তে কিংবা দূরদূরান্তে ছুটতে না হয় সেজন্যই এ উদ্যোগ। তাই ঢাকার বিভিন্ন প্রান্তে তিনি ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজকে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। ঢাকার উত্তরে উত্তরা, টঙ্গি ও এর আশপাশের বাসিন্দাগণ ক্যামব্রিয়ানকে পাচ্ছেন টঙ্গি ডাইভারশন রোড সংলগ্ন উত্তরা সেক্টর-০৯-এ। এরপর নিকুঞ্জ ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাগণ একে পাচ্ছেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ঠিক সামনে। আর বারিধারা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা ও রামপুরাবাসী একে পাচ্ছেন আমেরিকান অ্যাম্বাসির বিপরীতে শাহজাদপুর ও গুলশান সার্কেল টু থেকে। একইভাবে পুরাতন ঢাকা, যাত্রাবাড়ি ও সায়েদাবাদের বাসিন্দারা এই পরিবারেরই মেট্রোপলিটন স্কুল পাচ্ছেন দক্ষিণ যাত্রাবাড়িতে। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরবাসী একই পরিবারভুক্ত উইন্সাম্ স্কুলটি পাচ্ছেন লালমাটিয়ায়। আবার বৃহত্তর মিরপুর ও এর আশপাশের বাসিন্দারা পাচ্ছেন মিরপুর সাড়ে এগারোতে। এসব ক্যাম্পাসের অধিকাংশই সকল সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত। বিশেষ করে সকল ক্যাম্পাসেই একই মানের শিক্ষক ও ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক সমমানের শিক্ষা প্রদান করা হয়। কর্তৃপক্ষ অনতি বিলম্বে সমগ্র ঢাকা ও এর আশপাশে এবং সারা দেশে ক্রমান্বয়ে এর শাখা খোলার কাজ সুসম্পন্ন করার ব্যাপারে আশাবাদি। তাই দেশের যেকোনো অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অচিরেই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল শিক্ষা সেবা তথা সুযোগ গ্রহণে সক্ষম হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে ০১৭২০৫৫৭১৮০, ৯৮৮১৩৫৫। ডিজিটাল ক্যামব্রিয়ান সময় ও তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে সমান্তরালভাবে এগোবার অভিপ্রায়ে ক্যামব্রিয়ান এর শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে বদ্ধপরিকর। বিশেষকরে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষা বাস্তবায়নে প্রথমেই যেহেতু চাই একটি ডিজিটাল ক্যাম্পাস ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলী, তাই এই দুইয়ের সমন্বয়ে দেশে বিশ্বমানের আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের নবতর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ক্যামব্রিয়ানের প্রতিভাবান শিক্ষকদের স্ব-উদ্যোগে প্রণীত শিক্ষা সহায়ক পুস্তক, আধুনিক ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, মাল্টি মিডিয়া ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে সুশিক্ষার সকল সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে। এখানে রয়েছে ছয় শতাধিক অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলী। আর তারাই হচ্ছেন ক্যামব্রিয়ানের গর্বিত ফলাফল অর্জনের নেপথ্য কারিগর। প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে আরও জানতে যেতে পারেন এই ঠিকানায় :প্লট-২, গুলশান সার্কেল-২, ঢাকা। ক্যামব্রিয়ানকে অত্যাধুনিক যুগোপযোগী এবং একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাতির শিখরে তুলতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে দেওয়া হয়েছে একটি করে ল্যাপটপ। এ বছরের মধ্যে ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত এবং ২০১৪ সাল হতে ক্যামব্রিয়ানের সকল শিক্ষার্থীর হাতে থাকবে একটি করে ই-প্যাড বা ল্যাপটপ এমনটি প্রত্যাশা করছেন ক্যামব্রিয়ানের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন এমকে বাশার পিএমজেএফ।