বিনা উইকেটে ৫০ রান তুলে ফেলেছিলো নিউজিল্যান্ড। এখান থেকে আর যাই হোক, ৯০ রানে অলআউট কল্পনা করা যায় না। সেই কল্পনাতীত কাজটাই করেছেন ইয়াসির শাহ। ৪১ রানে ৮ উইকেট তুলে নিয়ে দুবাইতে রীতিমতো জাদু দেখিয়েছেন পাকিস্তানি এই লেগস্পিনার। তার ফলেই পাকিস্তানের চেয়ে ৩২৮ রানে পিছিয়ে প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ফলো অনে পড়ে আবার ব্যাট করতে নেমে দিনশেষে ২ উইকেটে ১৩১ রান তুলতে পেরেছে নিউজিল্যান্ড।
এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে হারিস সোহেল ও বাবর আজম বড় দুই সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানকে প্রথম এগিয়ে দেন। পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে করে ৫ উইকেটে ৪১৮ রান। বিশাল এই রানের জবাব দিতে শুরুটা নিতান্ত খারাপ হয়নি নিউজিল্যান্ডের।
রাভাল ও ল্যাথাম বিনা উইকেটে ৫০ রান তোলেন। এই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে শুরু করেন ইয়াসির শাহ। ২২তম ওভারে ফেরান রাভালকে। এরপর ২৮তম ওভারে এসে ৩ উইকেট তুলে নেন আরও! এরপর নিউজিল্যান্ডের ওয়াটলিং রানআউট হন এবং গ্র্যান্ডহোমকে ফেরান হাসান আলী। এখান থেকে আর কোনো উইকেট ইয়াসিরের হাত ছাড়া হয়নি। ৩৪ ও ৩৬তম ওভারে আবার এসে দুটি করে উইকেট নেন। ফলে তার মোট শিকার দাড়ায় ৮টি।
৪১ রানে ৮ উইকেট নিয়েছেন ইয়াসির। এটা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এর আগে এক ইনিংসে ৭ উইকেট ছিলো এই লেগস্পিনারের। এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেন তিনি।