সিলেটে ফণীর প্রভাব: বৃষ্টি-পাহাড়ী নদীর পানি বাড়ছে

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সিলেটে শুক্রবার সকালে সূর্যের আলো দেখা গেলেও। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেঘের আড়ালে লুকিয়ে যায়। তবে জুমার নামাজের সময় বেলা সোয়া ১টার দিকে আকস্মিক বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপর থেকে কখনও গুড়ি গুড়ি আবার কখনও মুষলধারায় বৃষ্টি হচ্ছে। সাথে হালকা দমকা হাওয়াও বইছে। এদিকে সিলেটের কোন কোন পাহাড়ি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঠ ভরা পাকা বোরো ধান দ্রুত কেটে নিতে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ তাগাদা দিয়েছে। প্রশাসন গত বৃহস্পতিবার সভা করে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক নির্দেশনা দিয়েছে। 

এদিকে, জুমার নামাজের পর সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সিলেটের অন্যান্য মসজিদের দোয়া অনুষ্ঠিত ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব থেকে দেশবাসীকে রক্ষার জন্য।

সিলেটের গোয়াইনঘাটে নদ-নদীসহ নিম্নাঞ্চলে পানি বাড়ছে। উজান থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের পানি প্লাবিত করছে হাওর-বিলসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে সৃষ্ট ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পালের নির্দেশে বিভিন্ন হাওরে হালকা নিমজ্জিত পাকা ধানগুলো দ্রুত কেটে ঘরে তোলার জন্য কৃষি অফিসের মাধ্যমে মাইকিং করানো হয়।

আরো পড়ুন: দুর্যোগের সময় জনগণের পাশে থাকতে বিএনপির প্রতি তথ্যমন্ত্রীর আহ্বান

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার পাল বলেন, গোয়াইনঘাটে নদ-নদীসহ নিম্নাঞ্চলে বাড়ছে পানি। এতে করে বিভিন্ন স্থানের বোরো ফসল নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কৃষকদের পাকা ধান কেটে দ্রুত ঘরে তুলতে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে মাইকিং করে কৃষক পরিবারগুলোকে সর্তক করা হয়েছে। 

ইত্তেফাক/এমআই