লক্ষ্য যখন গ্লোবাল প্রফেশনাল
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৯:১৮
আমাদের দেশে তরুণদের ক্যারিয়ার ভাবনা শুরু হয় এসএসসি বা এইচএসসি পাসের পর থেকেই। কোন বিষয়ে পড়ব, কোথায় পড়ব, পাস করে পেশা গড়তে পারব কি না অথবা সার্টিফিকেটের মান কেমন হবে—এমন হাজারো প্রশ্ন ভিড় করে এ সময়। তাই উন্নত ক্যারিয়ারের স্বার্থেই শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সময়োপযোগী এমন ডিগ্রিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন যা অর্জন করার পর দ্রুত দেশ-বিদেশে চাকরি হয়ে যায়। আর এ কারণেই ক্রমে চাহিদার শীর্ষে উঠে এসেছে প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং বিষয়টি। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এসিসিএ, সিএটি, এফআইএ। এইচএসসির পর সরাসরি এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। আবার এসএসসি শেষ করে এফআইএ করে এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এফআইএ শেষ করে সিএটি সম্পন্ন করে এসিসিএ কোর্স সম্পন্ন করা যায়। এসএসসি পাস শিক্ষার্থীরা এফআইএ কোর্সে ভর্তি হতে পারেন। এই কোর্সের বিষয়গুলো হচ্ছে রেকর্ডিং ফাইন্যান্সিয়াল ট্রানজেকশন, মেনটেনিং ফাইন্যান্সিয়াল রেকর্ড, অ্যাকাউন্টেন্ট ইন বিজনেস, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং প্রভৃতি। এফআইএ শেষে সিএটি করতে আরও দুটি সাবজেক্ট সম্পন্ন করতে হবে। এ দুটি হচ্ছে ফাউন্ডেশন ইন ট্যাক্সেশন এবং ফাউন্ডেশন ইন ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট। এরপর এসিসিএ করতে আরও তেরটি বিষয় সম্পন্ন করতে হবে। এগুলো হচ্ছে কর্পোরেট অ্যান্ড বিজনেস ল, পারফর্মেন্স ম্যানেজমেন্ট, ট্যাক্সেশন, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং, অডিট অ্যান্ড অ্যাসুরেন্স, অ্যাডভান্স অডিট অ্যান্ড অ্যাসুরেন্স। সরাসরি এসিসিএ কোর্স করতে ১৪টি বিষয় পড়তে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি ছাড়াও কারো অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে এসিসিএ সম্পন্ন করতে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যাহতি পেতে পারে। বিবিএ-এমবিএ পড়তে হলে এইচএসসি পাসের পর বিবিএ’র জন্য ৪ বছর এমবিএ’র জন্য ২-৩ বছর অর্থাত্ প্রায় ৬-৭ বছর অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু এসএসসি-এইচএসসি পাসের পর যেকোনো শিক্ষার্থী ৪-৫ বছরে আন্তর্জাতিক মানের চার্টার্ড সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টেন্ট এসিসিএ সম্পন্ন করতে পারে। একই সাথে পেতে পারে অক্সফোর্ড ব্রুকস ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লাইড অ্যাকাউন্টিংসে অনার্স ডিগ্রি। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে ৮১৪১৬০১, ০১৭২০৫৫৩২৭৮ এই নম্বরগুলোতে। এ দেশে এই কোর্স পরিচালনায় অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। কলেজটি সীমিত সময়ের জন্য এই কোর্সে ডিগ্রি অর্জনে দিচ্ছে বিশেষ স্কলারশিপ সুবিধা। এই স্কলারশিপের সুবিধা পাবে এখন যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে তারা সবাই। যার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ইনিশিয়াল রেজিস্ট্রেশন ফি এবং প্রথম বছরের অ্যানুয়াল সাবক্রিপশন ফি যা তাদের দিতে হবে না। এ নিয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা। ইতোমধ্যে স্কলার সুবিধাভোগীদের সংখ্যা শতাধিক পেরিয়ে গেছে যেখানে তারা প্রায় ত্রিশ হাজার টাকার কাছাকাছি মওকুফ সুবিধা পাচ্ছে।