[ রা জ নী তি ]

‘‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’’

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের উপর প্রথম কবিতাটি লিখেছিলেন চট্টগ্রামের প্রয়াত কবি এবং সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবউল আলম চৌধুরী। তার কবিতার প্রথম লাইনটি ছিলো— ‘‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।’’ তিনি ফাঁসি চেয়েছিলেন, যে শাসক গোষ্ঠী সেদিন ভাষা আন্দোলন স্তব্ধ করার জন্য গুলি চালিয়ে অনেকগুলো তরুণ প্রাণ অকালে ঝরিয়ে দিয়েছিলো, সেই ঘাতকদের। ইতিহাসের কি বিচিত্র বিধান, একষট্টি বছর আগে গণশত্রু ঘাতকদের যে ফাঁসির দাবি উচ্চারণ করেছিলেন আমাদের এক মহত্ কবি, আজ সেই ফাঁসির দাবিতে বাংলাদেশের কবিতা, গান, সাহিত্য, নতুন প্রজম্মের জনসমুদ্র উত্তাল। সুদূর লন্ডনে বসেও টেলিভিশনের সংবাদচিত্রে শুধু দেখছি শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরকে কেন্দ্র করে শুধু মানুষ আর মানুষ। আবালবৃদ্ধবনিতা এবং তরুণ প্রজন্মের মানুষের বিশাল-বিরাট ঢল। সকলের মুখে কেবল একটি প্রধান শ্লোগান ফাঁসি চাই। প্লাকার্ডে, ফেস্টুনে, মাথার ব্যান্ডে, এমনকি শিশুর হাতে দোলায়িত পতাকায় লেখা ‘ফাঁসি চাই’। বিস্মিত হয়ে ভাবছি, একষট্টি বছর আগে লেখা একটি কবিতার লাইন ফাঁসি চাই, কোন্ জাদুমন্ত্রবলে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতির একটিমাত্র শ্লোগানে আজ পরিণত হয়েছে! ৬১ বছর আগে দাবি জানানো হয়েছিলো, ভাষা শহীদদের ঘাতকদের ফাঁসি চাই। ৬১ বছর পরে সেই একই ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে দাবি উঠেছে ফাঁসি চাই। এবারের ফাঁসির দাবি ভাষা আন্দোলন থেকে উদ্ভূত স্বাধীনতা যুদ্ধে যে দেশদ্রোহী রাজাকার আলবদরের দল মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ করেছে, বর্বর গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যায় অংশ নিয়েছে তাদের জন্য। বাংলাদেশ এতো বড় জনজাগরণ আগে কখনো দেখেনি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের পর বাঙালি জাতি আর কখনো এমন ব্যাপকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়নি। অনেক বিদেশি পর্যবেক্ষকের মতে, ঢাকার ফেব্রুয়ারির জনপ্লাবন কায়রোর তাহরির স্কোয়ারের জনপ্লাবনকেও ছাড়িয়ে গেছে এবং সেই গণপ্লাবনও এতো দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়নি। ঢাকার এই জনজোয়ার এখনো অব্যাহত। কোনো কোনো দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকের মুখে তাই প্রশ্ন উঠেছে, ঢাকার প্রজন্ম স্কোয়ারের জনসমাবেশ তাহরির স্কোয়ারের চাইতে বড় এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়া সত্ত্বেও বহির্বিশ্বের বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকার পত্র-পত্রিকায় এই খবর কোনো গুরুত্ব পাচ্ছে না কেন? যেখানে দিল্লিতে গণধর্ষণের ফলে এক তরুণীর মৃত্যু হওয়ার পর সারা ভারত বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছে এবং ধর্ষকদের ফাঁসি দাবি করেছে, সে খবর ইউরোপ-আমেরিকার পত্র-পত্রিকায় দিনের পর দিন পাতার পর পাতা জুড়ে ছাপা হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের এতো বড় এবং শান্তিপূর্ণ নীরব বিপ্লবের খবরের গুরুত্ব উপেক্ষিত হয় কি করে? এক ব্রিটিশ সাংবাদিক বন্ধুকে প্রশ্নটা আমি করেছিলাম। তিনি বলেছিলেন, আমেরিকা বহু দূরের দেশ। ফলে তোমাদের খবরটা হয়তো গুরুত্ব পায়নি। ইউরোপের বেলায় অন্য কথা। ইউরোপের বহু দেশেই এখন মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হয়েছে। অথচ তোমাদের দেশে ’৭১ এবং যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার দাবি উঠেছে। এমনও হতে পারে, সেজন্যেই ইউরোপীয় মিডিয়ায় তোমাদের ফাঁসির দাবির আন্দোলন গুরুত্ব পাচ্ছে না। তাকে বলেছি, কায়রোর তাহরির স্কোয়ারের গণসমাবেশেরও তো দাবি ছিলো মোবারকের ফাঁসি। দিল্লিতে গণধর্ষণে এক তরুণীর নির্মম মৃত্যুর পর সারা ভারতে যে গণআন্দোলন গড়ে উঠেছে, তাদেরও দাবি ধর্ষণের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দান। এই অপ্রতিরোধ্য গণদাবির মুখে ভারত সরকার এখন ধর্ষণজনিত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হতে বাধ্য হয়েছেন। কই, তাতেতো তোমাদের ইউরোপিয়ান ও আমেরিকার মিডিয়াগুলোকে কায়রো ও দিল্লির ঘটনা নিয়ে মহা হৈ চৈ করতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে দেখিনি। তাহলে কেবল বাংলাদেশের বেলায় তোমাদের পত্র-পত্রিকার নৈতিকতাবোধ এতো উথলে উঠলো কেন? আর যে আমেরিকা পাকিস্তানে ও আফগানিস্তানে নিত্য ড্রোন হামলা চালিয়ে শ’য়ে শ’য়ে নিরীহ নরনারী হত্যা করছে এবং ক্যাঙারু কোর্টের বিচারে যারা ইরাকের সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দিয়েছে; বাংলাদেশে মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ করেছে এমন ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড দানের দাবিতে সেই স্যাম চাচার ধর্মবুদ্ধি এতো আকুল হয়ে উঠলো কেন? ব্রিটিশ সাংবাদিক বন্ধু আমার কথার জবাব দেননি। কিন্তু আমিই তাকে আমার প্রশ্নের জবাব শুনেয়েছি। বলেছি, কায়রোর আরব স্প্রিংয়ের পেছনে আমেরিকাসহ তার মিত্র পশ্চিমা দেশগুলোর নিজস্ব স্বার্থজনিত সমর্থন ছিলো। পশ্চিমা তাঁবেদার প্রেসিডেন্ট মোবারক তার জনপ্রিয়তা সম্পূর্ণ হারিয়েছিলেন। প্রচণ্ডভাবে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ইসলামি জিহাদিস্ট গোষ্ঠী সেখানে দু’দিন বাদেই ক্ষমতা দখল করতে পারতো। আমেরিকা তাই মোবারক-বিরোধী গণআন্দোলনকে সমর্থন দানের অছিলায় মুসলিম ব্রাদারহুডের আপসপন্থি অংশের নেতা মুরসিকে ক্ষমতায় এনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় সামরিক বাহিনীর আধিপত্য অক্ষুণ্ন রেখেছে। মুরসির নেতৃত্বাধীন মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডের এই অংশটি বাংলাদেশের জামায়াতিদের মতো ওয়াশিংটন ও রিয়াদের সমর্থনপুষ্ট। আমেরিকা এখন মধ্যপন্থি ও আপসকামী ইসলামি দলগুলোকে মুসলিম দেশগুলোতে (আফগানিস্তানসহ) ক্ষমতায় বসিয়ে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী উগ্র ইসলামি দলগুলোর ক্ষমতা দখল ঠেকাতে চায়। বাংলাদেশেও জামায়াতিদের “মডারেট মুসলিম দল” আখ্যা দিয়ে আমেরিকা তাদের জীয়ল মাছের মতো বাঁচিয়ে রাখতে চায়। ভারতের নারী ধর্ষণের দায়ে অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ডদানের যে আওয়াজ উঠেছে, তার বিরুদ্ধে ইউরোপ-আমেরিকায় কোনো কাগজে প্রতিবাদ বা আপত্তি নেই। বরং এই দাবিতে ভারতে যে গণআন্দোলন চলছে, তার খবর বাংলাদেশের খবরের মতো ধামাচাপা না দিয়ে ফলাও করে ছাপছে। ভারত বিরাট দেশ। চীনের বিরুদ্ধে তাকে ব্যবহার করা পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের বিশেষ করে আমেরিকার এখন ভীষণ দরকার। ভারতের মনমোহন-সোনিয়া সরকারও এখন আমেরিকার গললগ্ন হওয়ার জন্য বেজায় আগ্রহী। ভারতে সামরিক ও অসামরিক খাতে আমেরিকার অর্থলগ্নির সুযোগের দরোজা এখন একেবারেই খুলে গেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে নৈতিকতার কোনো বালাই নেই। সুতরাং ভারতে ধর্ষকদের জন্য মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রবর্তনের বিশাল গণদাবির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ভারতীয় জনমতের বিরাগভাজন হতে ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে রাজি নয়। এ জন্যে যতো রকম নৈতিক উপদেশ আছে, তা বর্ষণ করা হচ্ছে গরিব ও ক্ষুদ্রশক্তির বাংলাদেশের উপর। মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাজিনো সাহেব নানারকম উপদেশের থলি নিয়ে পাদ্রীর মতো সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনুগত তুর্কি সরকারকে দিয়ে বাংলাদেশকে উপদেশ দেওয়ানো হচ্ছে, তারা যেন ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধী ও মানবতার শত্রুদের প্রাণদণ্ডাদেশ না দেয়। আমার এই বক্তব্য ব্রিটিশ সাংবাদিক বন্ধু কেন, পশ্চিমা মিডিয়ার অনেকেই কতোটা হজম করবেন জানি না, কিন্তু আমার নিশ্চিত বিশ্বাস, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করে, পাকিস্তানকে অস্ত্র ও অর্থসাহায্য জুগিয়ে এবং ভারত মহাসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েও যেমন মুক্তিযুদ্ধের সাফল্য ঠেকানো যায়নি, তেমনি ২০১৩ সালে পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতিতে ওই ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের চরম শাস্তির উত্তাল গণদাবিও রোখা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের অধিকাংশের যেমন চরম দণ্ড হয়েছে, তেমনি ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের পালের গোঁদাদেরও হবে। আওয়ামী লীগ সরকার যদি এই দণ্ডদানে দুর্বলতা বা অক্ষমতা দেখায় (যা তারা দেখাবে বলে মনে করি না) তাহলে জনতা কর্তৃক তারাও প্রত্যাখ্যাত হবেন এবং নতুন নেতৃত্ব তাদের জায়গায় উঠে আসবে। প্রজন্ম চত্বরই হয়তো সেই নেতৃত্বের জন্ম দেবে। এই সত্যটি শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দেশের সকল রাজনৈতিক দলেরই স্মরণ রাখা দরকার। শাহবাগ অভ্যুত্থান যদি না ঘটতো এবং গোটা দেশ যদি যুদ্ধাপরাধীদের চরম দণ্ডদানের আন্দোলনে এক অভূতপূর্ব ঐক্য নিয়ে জেগে না উঠতো তাহলে দেশে জামায়াত ও তাদের বিদেশি প্রভুরা কি অঘটন ঘটাতো তা বুঝতে এখন কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। আওয়ামী লীগ সরকারের উপর জামায়াতের বিদেশি প্রভুরা প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করতো অপরাধীদের যেন শিথিল দণ্ড দেয়া হয়, সম্ভব হলে কোনো কোনো পালের গোঁদাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উপরও এই চাপ সৃষ্টি হতো। হতো কি, বিচার শুরু হতেই হয়তো হয়েছে। এই বিচার ও শাস্তিদান ভণ্ডুল করার জন্য জামায়াতিরা আন্দোলনের নামে গুণ্ডামি ও ধ্বংসাত্মক কাজে মাঠে নেমেছে। সফল হলে আরও ব্যাপকভাবে নামতো। বিএনপি মুখে বলেছে, তারা জামায়াতিদের ট্রাইব্যুনাল-বিরোধী কর্মকাণ্ডে নেই। কিন্তু বিভিন্ন অছিলায় তাদের হরতাল ও ককটেল ছোঁড়ায় যেমন সমর্থন জুগিয়েছে, তেমন সমর্থন আরও জোরদার করতো। চাইকি জামায়াত সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান শক্ত করতে পেরেছে এটা দেখতে পেলে জামায়াতকে সর্বাত্মক সমর্থন দিতে এগিয়ে যেতো। কিন্তু জামায়াত এক ছটাক জনসমর্থন অর্জন করতে পারেনি। ফলে ট্রেনিংপ্রাপ্ত ক্যাডার ও ভাড়াটিয়া গুণ্ডা দ্বারা ঢাকায় এবং দেশের অন্যান্য স্থানে পঞ্চাশের দশকের নকশালীদের কায়দায় অরক্ষিত স্থানে আকস্মিক হামলা এবং অগ্নিকাণ্ড ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। দু’দিন আগে প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের ব্লগারদের অন্যতম আহমেদ হায়দার রাজীব শোভনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা জামায়াতিদের কাজ বলে অধিকাংশ মানুষ সন্দেহ করছে। কারণ, এই হত্যাকাণ্ড জামায়াতি প্যাটার্নের হত্যাকাণ্ডের অনুরূপ। কিন্তু অতীতে একাত্তরের জামায়াতি বর্বরতা এবং পঁচাত্তর-পরবর্তী রগকাটা, শিরা কাটা, গুম, খুন ও লাশ ড্রেনে ফেলে রাখার নৃশংস রাজনীতি যেমন সফল হয়নি, তেমনি ২০১৩ সালে তাদের জনবিচ্ছিন্ন তত্পরতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সফল হবে তার কোনো সম্ভাবনা নেই। চূড়ান্ত পরাজয়ের মুখেই তারা এমন মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের সব প্ল্যান-পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে প্রজন্ম চত্বরের এই অভাবিত ও অভূতপূর্ব গণউত্থানে। জামায়াতিদের হত্যা ও নাশকতামূলক অপরাধ যতো বাড়ছে, তার পাল্টা জনপ্রতিরোধ ততো শক্তি অর্জন করছে। শোভন-হত্যা প্রজন্ম চত্বরের ঐক্য ও প্রতিজ্ঞা আরও ইস্পাতকঠিন করেছে। একদিকে কোটি কোটি মানুষের প্রতিরোধ এবং অন্যদিকে মুষ্টিমেয় রাজনৈতিক দুর্বৃত্তের মূষিকসুলভ নাশকতা। ’৭১ সালে জামায়াতিরা সশস্ত্র হানাদারদের সহায়তা পেয়েও হত্যার রাজনীতিতে সফল হতে পারেনি; ২০১৩ সালে সম্পূর্ণ গণসমর্থন বঞ্চিত এবং জনঘৃণার পাত্র জামায়াত তার নাশকতামূলক কাজে সফল হবে, তা দেশের একটি শিশুও বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য, জামায়াতিদের শত প্রোভোকেশনের মুখেও এই সমাবেশ শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। জামায়াত তাদের পাল্টা হিংসার পথে টেনে নিয়ে এই ঐক্যে ভাঙন সৃষ্টি করতে চায়। আন্দোলনকে বিপথগামী করতে চায়। শোভন-হত্যা হয়তো তাদের ডেসপারেট চেষ্টা। প্রজন্ম চত্বরের গণঐক্য জামায়াতের এই ফাঁদে পা দেবে না বলেই আমার বিশ্বাস। আজ সারাদেশ কবি মাহবুবউল আলম চৌধুরীর অমর কবিতার বাণী কণ্ঠে ধারণ করেছে-‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’। এই দাবিতে দেশের মানুষ, সকল গণতান্ত্রিক দল, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম অহিংস প্রতিরোধে অটল থাকতে পারলে দেশি বিদেশি সকল চাপ ও চক্রান্তের মুখে এই আন্দোলনের সাফল্য অনিবার্য। লন্ডন-১৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, ২০১৩