হরতাল রুখে দিল তারুণ্য

জামায়াত শিবিরের ডাকা হরতাল প্রতিরোধ করলেন তরুণযোদ্ধারা। হরতাল হলেই রাজনৈতিক দলগুলো হরতালকে প্রতিহত করার ডাক দেন। কিন্তু তাতে খুব একটা কাজ হতে দেখা যায়নি কখনো। এবার যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নেমে আসা তরুণরা যখন ডাক দিলেন তখন সব ভয় উপেক্ষা করে অনেকেই খুলেছেন দোকান, বের করেছেন গাড়ি। স্কুলগুলো শিক্ষার্থীর আনাগোনায় ভরে না যাক, অনেক শিক্ষার্থীকেই সাহস করে ঠিকই পাঠিয়েছেন তাদের অভিভাবকরা। পুলিশ, র্যাব, বিজিবির টহল সাধারণ মানুষকে এ হরতাল না মানতে সাহস জুুগিয়েছে ঠিকই, তবে প্রেরণায় ছিলেন তরুণদের সঙ্গে শামিল হওয়ার প্রত্যাশা। জামায়াতের হরতালের বিরুদ্ধে কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে ১৪ দিন আগে শাহবাগে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেই গণজাগরণ মঞ্চ গতকাল সোমবার প্রতিহত করল জামায়াতের ডাকা হরতাল। মিছিল, শ্লোগান, বক্তৃতা, আর সঙ্গীতে তারা জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা দাবি এবং জামায়াতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বয়কট করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এদিকে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে গতকাল রাত্রে ঘোষণা দেয়া হয়, আগামী একুশে ফেব্রুয়ারি বিকাল তিনটায় শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, যে সকল স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসায় এখন পর্যন্ত শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়নি, সেগুলোতে আগামী একুশে ফেব্রুয়ারির মধ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করতে হবে। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে আরো জানানো হয় আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ব্লগার তরিকুল ইসলাম শান্তর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২০ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা ১৩ মিনিটে প্রজন্মের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মুুক্তিযুদ্ধে শহীদদের উদ্দেশে খোলা চিঠি গ্যাস বেলুনের মাধ্যমে আকাশে উড়িয়ে দেয়া হবে। এছাড়া একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে গণজাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের স্মরণে জাতীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। বাংলাদেশের তরুণযোদ্ধারা এক অবিস্মরণীয় আন্দোলনের মুখোমুখি করেছে জাতিকে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে কয়েক দশক ধরে চলা ইতিহাস বিকৃতির পরও তরুণ প্রজন্ম ঠিকই জেগে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের দায় মেটাতে তারা গত দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করে চলেছে। ইতিহাস বিকৃতি করে যে সঠিক ইতিহাস চাপা দেয়া যায় না তা আবারো প্রমাণ করলেন তারা। তরুণদের এ আন্দোলনে দলে দলে মানুষ যোগ দিচ্ছেন। বিভিন্ন সংগঠন সংহতি প্রকাশ করছে প্রতিদিন। ধীরে ধীরে শাহবাগ আন্দোলন তার বলয়ের বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে। গতকালের হরতাল প্রতিরোধ এরই একটি বড় প্রমাণ। ট্রাইব্যুনাল বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে অভিনন্দন আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধন) বিল ২০১৩ অনুমোদন করায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ জিল্লুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন আন্দোলনরতরা। একইসাথে তারা সরকারকেও এজন্য ধন্যবাদ জানান। গতকাল বিকাল চারটার দিকে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে বিলটিতে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেছেন বলে ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) (সংশোধন) বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে সংসদ থেকে পাঠানো বিলটি আইনে পরিণত হলো। এখন সরকার গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আইনটি কার্যকর করবে। রাষ্ট্রপতি এবং সরকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। উপস্থিত জনতা এসময় করতালি ও উল্লাস ধ্বনি দিয়ে তার বক্তব্য সমর্থন করেন। এ প্রসঙ্গে ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার বলেন, এটি আমাদের আন্দোলনের বড় একটি বিজয়। আগামীর বিজয়ের পথও প্রশস্ত হয়েছে। রাজীব হত্যার প্রতিবাদে কালো পতাকা উত্তোলন নীরবতা পালন ও কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে ব্লগার ও স্থপতি আহমেদ রাজীব হায়দারের হত্যার প্রতিবাদ জানালেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, গতকাল বেলা ১১টায় শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করেন সমবেতরা। গতকাল জামায়াতের হরতাল কর্মসূচি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ঐক্য আরো দৃঢ় করে। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে শানিত কণ্ঠে শ্লোগানের ঢেউ খেলে যায় প্রজন্ম চত্বর জুড়ে। ‘জামায়াত শিবিরের হরতাল, মানি না মানব না, জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি, আইন করে বন্ধ করো’, ‘জামায়াতে ইসলাম, মেড ইন পাকিস্তান,’ ‘একাত্তরের রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’ ইত্যাদি শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। আন্দোলনের আয়োজক ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ডা. ইমরান এইচ সরকার বলেন, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ছি না। হরতালের প্রতিবাদে সুদীর্ঘ মিছিল শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ যেমন দেশের প্রগতিশীল প্রায় সব ছাত্র সংগঠনকে এ মঞ্চে এনেছে, তেমনি গতকাল হরতাল ঠৈকাতে সকলকে এক সারিতে মিছিলও করলেন। জামায়াতের ডাকা হরতাল প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ে গতকাল সকাল ১০টায় শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর থেকে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলে প্রজন্ম চত্বরে সক্রিয় সব ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, সায়েন্স ল্যাব, রাসেল স্কয়ার, পান্থপথ, কাওরান বাজার, বাংলামোটর হয়ে শাহবাগে এসে মিলিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, জাসদ ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফছির, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি এসএম শুভ, ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি প্রবীর সাহা, ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সাইফুজ্জামান সাকন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি আব্দুর রউফ, ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল শিকদার, ছাত্র সমিতির সালমান খান, ব্লগার ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বাকী বিল্লাহ, ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফ প্রমুখ। দেশে রাজাকার, আলবদরদের কোন ঠাঁই নেই: অর্থমন্ত্রী ‘দেশে রাজাকার, আলবদরদের কোন ঠাঁই নেই’ মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, তরুণরা জেগেছে। তাদের এ জাগরণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সামাজিক অর্থনৈতিক মুক্তি অবশ্যই অর্জন করবো। গতকাল বিকালে শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মকে বারবার বিকৃত ইতিহাস জানানো হয়েছে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এতোই শক্তিশালী যে, তরুণ প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস আবার ফিরিয়ে এনেছে। আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে নিজেকে ধন্য মনে করছেন উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি একাত্মতা ঘোষণা করেছিলাম। কিন্তু বিদেশে থাকায় সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারিনি। আজ সশরীরে উপস্থিত হয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংহতি প্রজন্ম চত্বরের আন্দোলনের সাথে শুরু থেকেই একাত্ম রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার তারা আবারো শাহবাগে গিয়ে আন্দোলনরতদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক শিক্ষক একটি মিছিল নিয়ে প্রজন্ম চত্বরে যান। আন্দোলনরতদের সহযোগিতা-সমর্থনের আশ্বাস দেন। মূলমঞ্চে বক্তব্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি দিতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো সাজা আমরা মানি না। রাজাকারদের রাজনীতি করার অধিকার নেই। জামায়াতসহ ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। নীল দলের আহবায়ক অধ্যাপক ইমামুল হক বলেন, ১৪ দিন ধরে তরুণরা এখানে আন্দোলন করছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ে সোচ্চার রয়েছে। এটি নতুন মুক্তিযুদ্ধ। একাত্তরে ফিরে যাই এ আন্দোলন দেখে। তিনি বলেন, ৪২ বছর ধরে আমরা রাজাকারদের লালন করছি, আর নয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডালেম চন্দ বর্মন, অধ্যাপক দূর্গাদাস ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মীজানুর রহমান, অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান, অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী, অধ্যাপক এম এম আকাশ, অধ্যাপক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক অহিদুজ্জামান, ড. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী। সচিবালয়ে কালো পতাকা শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সচিবালয়ের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে । গতকাল রাজীব হত্যার প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করা হয়। এ জন্য সোমবার পূর্ণ কর্মদিবস সচিবালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। ‘রাজাকারদের’ চ্যানেলে অভিনয় না করার ঘোষণা গতকাল আন্দোলনকারীদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ অভিনয় শিল্পী সংঘ। এ সময় গণজাগরণ মঞ্চে উপস্থিত হন বিশিষ্ট অভিনেতা কে এস ফিরোজ, তারিক আনাম খান, ঝুনা চৌধুরী, আজিজুল হাকিম, নিমা রহমান, শান্তা ইসলাম, নাদের চৌধুরী, রোকেয়া প্রাচী, জয়া আহসান, কুসুম শিকদার, হাসান মাসুদ, রিচি সোলায়মান, অরণ্য আনোয়ার, শাহেদ আলী, নিরব, নিপুন প্রমুখ। তারিক আনাম খান রাজাকারদের কোন চ্যানেলে অভিনয় শিল্পীদের অংশ নেবেন না বলে ঘোষণা দেন। এছাড়া অন্যান্য টিভি চ্যালেনগুলোতে রাজাকারদের কোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার না করার আহবান জানান বিশিষ্ট এই অভিনেতা। জয়া বলেন, ৭১’এ যেভাবে এদেশের তরুণরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিল। সেভাবেই এ প্রজন্মের তরুণরা দেশকে কলংমুক্ত করবে। চলচ্চিত্র পরিচালকদের সংহতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনের সঙ্গে গতকাল আরো সংহতি জানিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি। সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম খোকন, মহাসচিব মুশফিকুর রহমান, অভিনেত্রী রাশেদা চৌধুরীসহ সংগঠনের নেতারা শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে এসে এ সংহতি জানান। এ সময় শহিদুল ইসলাম খোকন বিভিন্ন শ্লোগান নিয়ে সমবেতদের উদ্দীপ্ত করেন। শাহরিয়ার কবির, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিনের একাত্মতা গতকাল আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন শাহরিয়ার কবির, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন, মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ। শাহরিয়ার কবির বলেন, জনগণ জামায়াতের হরতাল প্রত্যাখান করেছে। তবে শুধু হরতাল প্রত্যাখ্যানই নয়, তাদেরকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। তিনি জামায়াতের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানান। শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন আন্দোলনরত তরুণদের প্রতি স্যালুট জানিয়ে বলেন, তোমাদের জাগরণে এদেশের সব জঞ্জাল, অসত্য দূর হয়ে যাবে। তোমাদের জয় হবেই, হবে। এদিকে গতকাল সকালের দিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে প্রজন্ম চত্বরে এসে জড়ো হন। এডমিনিস্ট্রেটিভ এসোসিয়েশনের সংহতি বাংলাদেশ এডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিশেনের জরুরি সভায় গণজাগরণ মঞ্চের মানবতাবিরোধী বিচার ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার রাতে বিয়াম মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার সচিব এবং এসোসিয়েশনের সভাপতি আবু আলম মোহাম্মদ এতে সভাপতিত্ব করেন। পূর্ত সচিব ড. শওকত হোসেন, শিক্ষা সচিব মইন উদ্দিন আব্দুল্লাহ, শিক্ষা সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, তথ্যসচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।