পড়াশোনা
উড়োজাহাজ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ১৫:৩৩
সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তি জগতে যেমন ঘটেছে উত্কর্ষ, তেমনি মানব জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। আর এরই সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য যদিও জ্ঞান অর্জন, তবুও প্রতিযোগিতার এই যুগে জীবনমুখী শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শিক্ষা যদি বাস্তব ও কর্মজীবনে সঠিকভাবে কাজে লাগানো না যায়, তবে জীবনযুদ্ধে টিকে থাকাই দায়।
এমনই একটি আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার হলো অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, যার কাজ মূলত উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ। সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের আগে যেতে হতো বিদেশে। কিন্তু অ্যাভিয়েশন সেক্টরের ক্রমবর্ধমান প্রসারতায় এয়ারলাইন্সগুলোর চাহিদা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের চাহিদাও। আর প্রয়োজনের তাগিদেই অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো আধুনিক ও যুগোপযোগী একটি শিক্ষা এখন বাংলাদেশেই পাওয়া যাচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কথা বলতে পারেন এই নম্বরে ০১৯২৯৩৪০৬৩৬, ০১১৯১৭৯১৭৮০। বিমান প্রকৌশল বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ (এসিবি) উল্লেখযোগ্য। ২০০৭ সাল থেকে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার গড়ার উদ্দেশ্যে কলেজটি পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক শিক্ষাবোর্ড এডেক্সেলের এনডি এবং এইচ এনডি-এর কোর্সসমূহ। এসিবিতে বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে চীনের সিনইয়াং ইউনির্ভাসিটিতে গ্র্যাজুয়েশন করার সুযোগ। এশিয়ার ৪ নম্বর র্যাংকিংধারী এই ইউনির্ভাসিটির বাংলাদেশের একাডেমিক পার্টনার হলো অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ। যেখানে শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে শতভাগ পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ। এ বিষয়ে আরও জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :অ্যারোনটিক্যাল কলেজ অব বাংলাদেশ, বাড়ি-৩৮, রোড-২০, সেক্টর-১১, উত্তরা, ঢাকা। এ ছাড়াও কোর্স শেষে শিক্ষার্থীরা পৃথিবীর নামিদামি ইউনিভার্সিটিতে ক্রেডিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ভর্তি হয়ে উন্নত ক্যারিয়ার গড়তে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিতে পারে। ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য এবিসি তার শিক্ষার্থীদের নিয়ে যায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে। তাই দক্ষতার সাথে পড়াশোনা শেষে একজন শিক্ষার্থী অর্জন করে দেশে-বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরির সুযোগ।