গাংনীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী হাসি । বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আব্দুস সালাম গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান খান ও স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলম হুসাইন হাসির পিতা-মাতাকে চাপ দিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধে বাধ্য করান। বেতবাড়িয়া ঘাটপাড়ার হাসেম আলী’র মেয়ে ও স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী হাসি। হাসির মা রাবেয়া খাতুন জানান, ভাল ছেলে পাওয়ায় মেয়ে ছোট হলেও পারিবারিকভাবেই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের ভয়ে আমরা বিয়ে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হই। স্কুল ছাত্রী হাসির বাল্য বিয়ের ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের চোখে পড়ে বিষয়টি।