ফটিকছড়িতে ফেলে রাখা হয়েছে
এলজিইডির ১২ কোটি টাকার প্রকল্প
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২১:৩৪
কাজ না করে অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে ফটিকছড়িতে এলজিইডির প্রায় ১২ কোটি টাকার ২৫টি প্রকল্প। গত জুনে এসব প্রকল্পের কাজের মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এদিকে এসব প্রকল্পে রয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী জনতা। বেশ কিছু প্রকল্পের কার্যাদেশের মেয়াদ আবেদন করে কয়েক দফা বাড়িয়েও উক্ত ঠিকাদাররা কাজ করেননি। এনিয়ে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারদের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে এসব প্রকল্পের বেশির ভাগেরই ৩০/৩৫ ভাগের উপরে কাজ করা হয়নি। এসব প্রকল্পগুলো হচ্ছে-৩৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা ব্যয়ে নানুপুর শহীদ নুর আহমদ সড়ক, ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে আজাদী বাজার-ধর্মপুর কেয়াং স্কুল সড়ক, ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে নানুপুর তোফায়েল আহামদ সড়ক, ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাগান বাজার হলুদিয়া সড়ক, ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে নানুপুর কালুমুন্সীরহাট-দৌলত মুন্সীরহাট সড়ক, ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে সুয়াবিল-শোভনছড়ি বাজার সড়ক, ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নানুপুর সমিতিরহাট সড়ক, ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পাইন্দং ইউপি হেড কোয়ার্টার-কাঞ্চননগর ইউপি হেডকোর্য়াটার সড়ক ইত্যাদি।
এসব প্রকল্প সম্পন্ন না হওয়ার কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঠিকাদার জানান, সরকার ধার্য রেট থেকে বর্তমান বাজারে নির্মাণ সামগ্রীর দাম অনেক বেশি হওয়ায় তারা লোকসানের কারণে এবং অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ফান্ড না থাকার কারণে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না।
অপরদিকে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী বিশ্বজিত্ দত্ত বলেন, সংশ্লিষ্ট জরিমানা আদায় করে পুনরায় টেন্ডার আহবানের জন্য এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাবরে ফাইল পাঠানো হয়েছে।