কুমিল্লায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাঁচ দোকানে

কুমিল্লার চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথিপার্শ্বে পাঁচটি দোকানে উঠে পড়লে ৩ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পথচারী ও দোকানী মিলিয়ে আরও ১৫ জন। তাত্ক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা বাস স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন চান্দিনার রূপনগর এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহীম (৩০), বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা এলাকার রুহুল আমিন (৩২), ফজলুর রহমানের ছেলে আব্দুর রহমান (২৮), আলআমিন (২৫), কুমিল্লা ফৌজদারী এলাকার জুম্মান (২৮), কুমিল্লার সদর থানা চর্তা এলাকার নূরু মিয়ার স্ত্রী ছফুরা বেগম (৬০), দেবিদ্বারের সুরপুর এলাকার জোবেদা খাতুন (৪৫), নবিয়াবাদ গ্রামের আব্দুর রহিম, বাগুর এলাকার হোসেন, চান্দিনার রারিরচর গ্রামের খোরশেদ আলম (২৫), বরুড়া উপজেলার খোসবাস এলাকার আয়েত আলী (৪৫), বাস যাত্রী হোমনা উপজেলার ইলিয়াস হোসেন (২৪), সুফিয়া বেগম (৩০), আব্দুল মতিন (৪২), দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ এলাকার আবু কালাম। প্রত্যক্ষদর্শী বাগুর বাস স্ট্যান্ড এলাকার দোকানী আব্দুস সামাদ জানান, হোমনা থেকে ছেড়ে আসা কুমিল্লাগামী ‘হোমনা পরিবহনের’ একটি বাস সকাল পৌনে ১০টায় চান্দিনা বাস স্টেশন এলাকায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের পাঁচটি দোকানে উঠে পড়ে এবং পাশে সিএনজি স্ট্যান্ডে ১টি অটোরিক্সাকে দুমড়ে-মুচড়ে দেয়। ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত হয়। আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার পূর্বেই নিহতদের মৃতদেহ নিয়ে যায় স্বজনরা। চান্দিনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সক আহাম্মদ কবির জানান, যাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়েছে এর একজন পুরুষ (৫৫) মৃত । তার নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। বাকি ৭ জনের মধ্যে রুহুল আমিন ও জুম্মানকে আশংকাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির এসআই মারুফ বলেন, চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ ফাঁড়িতে নেয়া হয়েছে। ঘাতক বাস আটক।