রাঙ্গাবালীতে শতাধিক ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, ৪টি গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় ফণীর ছোবলে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় শতাধিক বসত ঘরবাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুই হাজার ৮৫ হেক্টর জমির রবিশস্য নষ্ট হয়ে গেছে এবং উপড়ে পড়েছে পাঁচ শতাধিক গাছপালা। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত দমকা বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিপাতে এ ক্ষতি হয়। এদিকে, ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে চারটি গ্রাম প্লাবিত হয়। 

জানা গেছে, কয়েক দফার দমকা বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩০টি বসতঘর পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয় এবং ৯০টি বসতঘর-প্রতিষ্ঠান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

এদিকে, শনিবার দুপুরে জোয়ারের তোড়ে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি ঢুকে উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের মধ্য চালিতাবুনিয়া, বিবির হাওলা, গরুভাঙা ও চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ভাটায় পানি কমে যাওয়ায় জনজীবনে স্বস্তি ফিরলেও ফসলি জমিতে পানি জমে আছে।  

আরও পড়ুন: ২৫ ঘণ্টা পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তার পরিমাণ নিরুপনের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও সব দপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির জবাব পেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।’    

ইত্তেফাক/কেকে