ঝালকাঠিতে মসজিদের ভিতরে গাইড বইয়ের গুদাম!

মসজিদের ভিতরে ও বাইরে গুদামজাত রেখে নিষিদ্ধ ঘোষিত স্কুল ও মাদ্রাসার নোট ও গাইড বই বিক্রি হচ্ছে ঝালকাঠিতে। প্রতিরোধে চলতি বছর কোন অভিযান বা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়নি এপর্যন্ত। পাশ্ববর্তি জেলা বরগুনা, বিভাগীয় শহর বরিশাল, পিরোজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুদামে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সিলগালা করা হচ্ছে গুদাম। অথচ ঝালকাঠির চিত্র সম্পূর্ন উল্টো। এক শ্রেনীর অসাধু বই বিক্রেতা তাদের গুদামে বিপুল পরিমাণ নোট ও গাইড মজুদ করে প্রকাশ্যে বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। এর সাথে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কিছু অসাধু শিক্ষকের সহায়তায় সিন্ডিকেট গড়ে তোলা হয়েছে। ঐ শিক্ষকরা মোটা অংকের বিনিময়ে ক্লাস রুমে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের বিভিন্ন কোম্পানীর নোট গাইডের নাম দিয়ে কিনতে বাধ্য করাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঝালকাঠি বইয়ের বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রায় প্রতিটি বইয়ের দোকানেই নিষিদ্ধ গাইড বিক্রি হচ্ছে দেদারছে। তবে এসব নোট গাইড বিক্রেতারা লাইব্রেরীতে না রেখে শহরের মসজিদের ভিতরে, বাসাবাড়িতে গোডাউন করে মজুদ রেখে বিক্রি করছে। এসব গাইডের মধ্যে রয়েছে মেধাবী, উত্তরন, ক্যাপ্টেন, ডিজিটাল, স্পেশাল, গ্লোবাল, আশার আলো, পপি, একের ভিতর তিন, একের ভিতর পাঁচ, একের ভিতর সব, কপোতক্ষ ইত্যাদি। ঝালকাঠিতে নিষিদ্ধ ও গাইড বইয়ের সবচেয়ে বড় গোডাউন হচ্ছে হালিমা বোর্ডিং মোড়ের একটি মসজীদের ভিতরে।