৬২ কোম্পানির ওষুধ পরীক্ষার উদ্যোগ
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৩
নিম্নমানের ওষুধ তৈরির জন্য অভিযুক্ত ৬২টি কোম্পানির ওষুধ তৈরির মালামাল পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ কথা জানানো হয়।
সংসদ সচিবালয় জানায়, বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে বলা হয়েছে কমিটির অসন্তোষের প্রেক্ষিতে ওষুধ প্রশাসনের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ওই ৬২টি ওষুধ কোম্পানিকে। পরীক্ষাশেষে অভিযুক্ত কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ডিজি মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওষুধ আইন-১৯৪০, ড্রাগ রুলস-১৯৪৫, দ্যা বেঙ্গল ড্রাগ রুলস-১৯৪৬ এবং ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-১৯৮২ অনুযায়ী সরকারি বিশ্লেষক কর্তৃক নিম্নমান ঘোষিত না হওয়া পর্যন্ত বাজার থেকে ওষুধ প্রত্যাহার করা যায় না। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের জেলা ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ৬২টি কোম্পানির নমুনা সংগ্রহ করার পর পরীক্ষা করছেন।
গত ২৩ জানুয়ারি স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ওই ৬২টি কোম্পানির কি পরিমাণ ওষুধ বাজারে আছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। এছাড়া সুপারিশের পরও কেন ওই কোম্পানিগুলোর ওষুধ বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়নি তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি। এছাড়া ওই বৈঠকে নিম্নমানের ওষুধ প্রস্তুতের কারণে লাইসেন্স বাতিল করা যে নয়টি প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতের রিট নিয়ে উত্পাদন চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রমকে জনসাধারণের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। বৈঠকে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করে রিট দায়ের করে দ্রুত বাতিল করার ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়। ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর জানায়, ওই নয়টি প্রতিষ্ঠানের মামলাগুলো তদারকির জন্য প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা কাজ করছেন। কমিটির সভাপতি শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ডা. মোহাম্মদ আমানউল্লাহ্, ডা. এম এ মান্নান এবং মোঃ মুরাদ হাসান অংশগ্রহণ করেন।