জেনে নিন
কম ঘুমানো ভালো নয়
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০১৩, ১৮:০৩
বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানো কিশোর-কিশোরীরা দেরিতে ঘুমানো, দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা; মোটকথা, এক বিশ্রী ঘুমের রুটিনের আবর্তে পড়ে যায়। এই অনিয়মের কুপ্রভাব কিশোর-কিশোরীদের স্বাভাবিক জীবনের ওপর পড়ে। যা তাদের স্বাস্থ্য ও ক্যারিয়ারের জন্যও ক্ষতিকর। সুতরাং বয়ঃসন্ধিকালের কিশোর-কিশোরীদের তাই প্রতি রাতে নিয়মমাফিক একই সময়ে বিছানায় যেতে হবে। সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে একই সময় বজায় রেখে। এবং প্রতি রাতে যেন নিদেনপক্ষে আট-নয় ঘণ্টার মতো তারা ঘুমায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। আর এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে মা-বাবা কিংবা পরিবারের বড়দেরই।
এই ঘুমহীন অবস্থায় নানা সঙ্কটগুলো হচ্ছে
মনোযোগ কমে যায়।
স্বল্পকালীন স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
দৈনন্দিন কাজের বা পড়াশোনার মানে জোয়ার-ভাটা ঘটতে দেখা যায়।
তাত্ক্ষণিকভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না।
কম ঘুমের ফল
মেজাজ খিটখিটে হওয়া।
স্কুলে সমস্যা সৃষ্টি।
এমনকি গাড়ি বা কোনো বাহন চালানোতে প্রায় দুর্ঘটনায় পড়া।
সাধারণভাবেই একজন সুস্থ মানুষের ছয় ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। আর কিশোর-কিশোরীরা রাতে তাদের প্রায় আট থেকে সাড়ে নয় ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমানো উচিত। কিন্তু অনেকে তা পারে না। বয়ঃসন্ধিতে উপনীত হওয়ার সময় কিশোর-কিশোরীদের আগের তুলনায় আরও বেশি সময়ের ঘুম দরকার। যেহেতু তারা স্কুল ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডে এত ব্যস্ত থাকে, দীর্ঘদিন ধরে তারা ঘুমের অভাব নিয়ে চলে। স্বাস্থ্যকর সময় তারা কাটাতে পারে না। হিসাবটা ওভারটাইম করার মতো জটিল হয়ে ওঠে। প্রতিদিন এক ঘণ্টা কম ঘুমানো হলে সপ্তাহের শেষে তার পুরোটা যোগ হয়ে যায়।
কিছু উপায়
বান্সিনিয়োক :রাতের খাবারের পর দেড় ঘণ্টার জন্য বান্সিনিয়োক করুন। এর ফলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা ০.৫ থেকে ১ ডিগ্রি বেড়ে গিয়ে ঘুম আসতে সাহায্য করবে।
আঙুল চাপ থেরাপি :ঘুমানোর আগে আঙুল চাপ থেরাপি করুন বা দুই হাতের তালু একসঙ্গে ঘষুন। মধ্যমার মাথাগুলোতে চাপ, মাথায় আঙুল টেপা আর পায়ের তালুর এক-তৃতীয়াংশে আঙুলের চাপ ঘুম আসতে সাহায্য করে।