ফোকাস

তরুণ শিক্ষার্থীদের হাতের নাগালেই আমেরিকায় পড়াশোনা

আমেরিকায় ভিসা পাওয়ার বিষয়টি এখন আর পর্বত জয় করার মতো দুর্লভ কিছু নয়। এখন স্টুডেন্ট ভিসায় অনায়াসেই আমেরিকায় যাওয়া যায়। এবং শুধু স্টুডেন্ট ভিসাই নয়, এখন সপরিবারে ন্যূনতম ৫ বছরের ভিজিট ভিসাও পাওয়া যায়। ইউএস অ্যাম্বাসি স্টুডেন্ট ভিসার প্রক্রিয়াটি সাধারণত স্বল্প সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করে থাকে। ফলে ভিসা পাব কি পাব না এ নিয়ে দীর্ঘ সময় দোদুল্যমান বা অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয় না। আমেরিকায় অগণিত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আবেদন করলে ওরা অবিলম্বে অ্যাকসেপটেন্সি লেটার পাঠিয়ে দেয়। যোগ্যতা বা কাগজপত্রের মধ্যে রয়েছে; এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের একাডেমিক পেপারস্, ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার একটা ব্যাংক সলভেন্সি এবং ওখানকার কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে অনলাইনে ৩০ থেকে ২০০ ডলার পে করলে I-20 পাওয়া যায়। তবে অ্যাম্বাসিতে সাবমিটকৃত পেপারস্গুলো অবশ্যই নির্ভুল হতে হবে। এ ছাড়া ইংলিশ ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকলে ন্যূনতম ৫.৫ আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে। ইংলিশ ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলে আইইএলটিএসের প্রয়োজন নেই। ছাত্র ভিসার মেয়াদের বিষয়টি কোর্সের মেয়াদের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। লেখাপড়া শেষে আবেদন করলে অভিবাসনেরও সুযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ০২-৮৯৬০৪২৫ ও ০১৭৪৫৮২৩৭৮৯ নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। এবার আসা যাক সেখানে যাওয়ার পর পড়ালেখার খরচের ব্যপারে। ওখানে ছাত্রদের জন্য রয়েছে খণ্ডকালীন চাকরির সুবর্ণ সুযোগ। বিশ্ব মন্দার কারণে চাকরির সুযোগ কিছুটা হ্রাস পেলেও এ যাবত যেসব শিক্ষার্থী সেখানে গিয়েছে, তারা চাকরি করে দিব্যি পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন, যাবেন কীভাবে? আবেদনকৃত কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকসেপটেন্সি লেটার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসার জন্য সরাসরি অ্যাম্বাসিতে আবেদন করতে হয়। এ নিয়ে আরও জানতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় বাড়ি-০৩, রোড-১৪, সেক্টর-০১, উত্তরা, ঢাকা। যদিও অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীই পর্যাপ্ত সময় দেওয়া ও নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করাসহ বিভিন্ন জটিলতা এড়াতে বিশেষ করে দ্রুততার সাথে কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কনসালটেন্সি ফার্মের সহায়তা নিয়ে থাকেন। এতে ব্যয় কিছুটা বাড়লেও ভালো ফার্মের শরণাপন্ন হতে পারলে ক্ষতির কিছু নেই। তবে এ ক্ষেত্রে কনসালটেন্সি ফার্ম ভিসার আগেই বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করছে কি না এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। উল্লেখ্য যে, এই সেক্টরে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে সিন্নামন ইন্টারন্যাশনাল। বিগত প্রায় দশ বছর ধরে তারা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছাত্র ও ভিজিট ভিসা প্রসেসিংয়ের যাবতীয় কাজ করছে। বিভিন্ন দেশে এদের প্রচুর ভিসা প্রাপ্তির রেকর্ড রয়েছে। আর আমেরিকার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে হলে Dhaka.usembassy.gov এই সাইট ভিজিট করতে পারেন।