[ রা জ নী তি ]

প্রধানমন্ত্রীর মতো আমরাও শঙ্কিত

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট, জামায়াতে ইসলামী দলটির নিষিদ্ধ করা প্রসঙ্গ এবং শাহবাগে আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ ও শঙ্কার সাথে একমত পোষণ করছি। শাহবাগে গণজাগরণ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই শুরু হয়েছিল। এদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, গণতান্ত্রিক আচরণ থেকে দূরে সরে যাওয়া, স্বার্থপরতা ও দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়া স্বাভাবিকভাবেই জনবিক্ষোভ তৈরি করে। সুতরাং এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য উদ্বাহু ছিল সাধারণ মানুষ। একটি গুণগত পরিবর্তন খুঁজে ফিরছিল দেশবাসী। তাই মঞ্চে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব নিয়ে নানা সময়ে কথা উঠে। তৃতীয় শক্তি হিসেবে ক্যান্টনমেন্টের দিকে কারো কারো অঙ্গুলি হেলন ছিল। আরেকটি এক এগারোর আশঙ্কাও রয়েছে অনেকের মধ্যে। আবার কোনোপক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গনের ভেতর থেকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল তৃতীয় শক্তি। কিন্তু চলমান বাস্তবতায় এক্ষেত্রে আশাবাদী হওয়ার মত কোনো লক্ষণ স্পষ্ট ছিল না। ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে ঐতিহাসিক ধারাক্রম থেকে আমি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি তৃতীয় শক্তি বলি বা যাই বলি একটি রূপান্তরের পথ তৈরি হবেই। তবে তা কোন পথে বা কাদের মধ্যদিয়ে আসবে তা স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব ছিল না। গত ৫ ফেব্রুয়ারি যখন কয়েকজন তরুণ কাদের মোল্লার বিচারের রায় যুক্তিসম্মত হয়নি বলে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিবাদ করতে শাহবাগে জড়ো হয়েছিল তখনো বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে ভাবনা তৈরি হয়নি। কিন্তু দু-একদিনের মধ্যেই দ্রুত সচেতন মানুষের মধ্যে ভাবনায় পরিবর্তন এলো। মতলববাজ রাজনীতিকরা যেভাবেই ব্যাখ্যা করুণ না কেন দেশের সিংহভাগ মানুষ তরুণদের এভাবে জোয়ারের মত ছুটে আসা এবং অভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ শ্লোগানে প্রকম্পিত করা এবং এর সাথে সর্বস্তরের মানুষের দ্রুতই সংহতি প্রকাশ করে দেশজুড়ে গণজাগরণের মঞ্চ তৈরি করা, প্রজন্ম চত্বর নাম নেয়া শাহবাগ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়ার ভেতর কোনো রাজনৈতিক অঙ্গনের দুষ্টবুদ্ধির খেলা থাকতে পারে না। আমার মত অনেকেই—যারা ইতিহাসের পাতা থেকে বিশ্বজুড়ে নানা ক্রান্তিকাল দেখেছেন, তারা এমন বিস্ময়কর জোয়ারের ভেতর একটি ভিন্ন ধারার তৃতীয় শক্তি উত্থানের লক্ষণ দেখতে পাবেন। তৃতীয় শক্তিকে সবসময় যে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে হবে তার কোনো মানে নেই। মরচে পড়া বাজনীতির অচলায়তনে যদি সফল আঘাত করতে পারে তবে তাই হতে পারে দেশের জন্য মঙ্গলের। এদেশে ঘোরতর রাজনৈতিক দলান্ধ মানুষ ছাড়া সকল সাধারণ সচেতন মানুষই গুমরে মরছিল। মনে মনে অসুস্থ রাজনীতির মূলে আঘাত হানতে চেয়েছিল। কিন্তু বেড়ালের গলায় ঘন্টাটি বাঁধবে কে এ ছিল বড় প্রশ্ন। সময়ের দাবিতে তারুণ্যই এগিয়ে আসে। আমরা মনে করি দেশ ও জাতির একটি ক্রান্তিকালে সেই দায়িত্বটি পালন করতে মাঠে বেরিয়ে এসেছে তরুণ প্রজন্ম। এই শক্তির প্রত্যক্ষ ঝর্নাধারা এবং অন্তরের ফল্গুধারার শক্তি এত বেশি ছিল যে, অচিরেই কিছুসংখ্যক বদ্ধবুদ্ধির অ-দেশপ্রেমিক রাজনীতি অঞ্চলের স্বার্থবাদী মানুষ ছাড়া সকলেই সংহতি প্রকাশ করেছে প্রজন্মের গণজোয়ারের সাথে। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া আর কোন পর্বে এদেশে এমন বিপ্লবের ঢেউ ছড়িয়েছিল? এখানেই ভয় রাজনৈতিক বণিকদের। প্রথমে কোনো পক্ষ এই গণজোয়ারের ভেতর থেকে রাজনৈতিক স্বার্থ খুঁজে ফেরার চেষ্টা করেছে—করে যাচ্ছে। কোনো পক্ষ আন্দোলনকারী তারুণ্যের সেন্টিমেন্টের উল্টো পক্ষে অবস্থান নেয়ায় প্রথমে থমকে গিয়েছিল। বাস্তবতার উঠোনে দাঁড়িয়ে নিজ অবস্থানে পরিবর্তন আনার মত সাহসিকতা দেখাতে পারতো। সুস্থ রাজনীতির পথে হেঁটে নিজেদের মধ্যে নবযৌবনের শক্তি তৈরি করতে পারতো। কিন্তু তারা তা করেনি। বরাবরের মত যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিজেদের গাঁটছড়া আরো শক্তভাবে বেঁধেছে। ফলে এতবড় এবং সাধারণ মানুষের হূদয় থেকে উত্সারিত জোয়ারকে প্রতিহত করার জন্য বিষাক্ত বালি দিয়ে বাঁধ গড়ার অপচেষ্টা করছে। এদের দুষ্টু মগজ আন্দোলনের জোয়ারের তীব্রতার সাথে তাল রেখে দ্রুতই অন্ধকার পথ খুঁজে বেড়াছে। অন্যকোনো উপায় না পেয়ে তাই মানবতার বক্ষ বিদীর্ণ করার মত সাতপুরোন পথ খুঁজে নিল। মিথ্যের বেসাতি করে ধর্মীয় উন্মাদনার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিল দেশজুড়ে। এদেশের ধর্মপ্রাণ সরল মানুষদের অনেককেই ভুল ও মিথ্যে ব্যাখ্যা দিয়ে বিভ্রান্ত করে ভাই বন্ধুদের বিরুদ্ধে মাঠে নামালো। নিজেদের বিপন্ন অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার আর কোনো উপায় না দেখে পুরোনো স্টাইলে টিকে থাকার শেষ মাছটি ধরার জন্য অত্যন্ত অমানবিকভাবে জল ঘোলা করতে নেমে পড়লো মাঠে। এমন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে এখন স্পষ্টভাবেই বলা যায় জামায়াতে ইসলামী এবং এর হতাশ-বিভ্রান্ত মিত্ররা টিকে থাকার জন্য মরণ কামড়ই দেবে। এই বাস্তব সত্যটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করতে পেরেছেন। তাই তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের তরুণদের নিরাপত্তা নিয়ে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্রে বরাবরের মতই আরেকটি বিষয়ে উদ্বিগ্ন। তা হচ্ছে বর্তমান রাজনৈতিক সামাজিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ সরকারের ভেতর দৃঢ়তা ও স্থিতিশীলতার অভাব। প্রজন্মের এই জাগরণের ঢেউ থেকে আওয়ামী লীগ এবং এই দলের নেতৃত্বে গড়া সরকার কপালগুণে এমন একটি সুবিধা পেয়ে গেছে। বাঁধভাঙ্গা তরুণ মাঠে নেমেছিল প্রধানত মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচারের যোগ্য রায়ের দাবিতে। এতদিনে সংশ্লিষ্ট আরো কয়েকটি উপাদান যুক্ত হলেও মূল দাবিটি এখনো প্রধান। তাই এই আন্দোলন শতভাগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে উত্সারিত। সুতরাং আন্দোলনকারীদের তীর মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজনৈতিক দলের বক্ষই প্রধানত বিদ্ধ করবে। আর অমন ক্রান্তিকালে বিএনপি যখন বাস্তবতাকে মূল্য দিতে না পেরে জামায়াত বন্ধুত্বকে বজায় রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতাকেই কবুল করে নিল তখন রাজনীতির মাঠে গণমানুষের মূল স্রোত থেকে সে ছিটকে পড়বেই। একারণে যতই সংকীর্ণতা ও সীমাবদ্ধতা থাক না কেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের পক্ষে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই আন্দেলনের ফসল যাবেই। এই অবস্থায় যখন সরকার পরিচালকদের মেধাবি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আচরণ প্রয়োজন তখনই তাদের অনেকে বক্তব্য প্রকাশে—অর্থাত্ চলনে-বলনে বরাবরের মত অদূরদর্শিতা প্রদর্শন করতে লাগলেন। আর সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের ভেতরকার দুর্বলতা স্পষ্ট হতে থাকলো। এই বিষয়টি এবার অন্তত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। একই বৈঠকে তিনি মন্ত্রী মহোদয়দের অপরিণামদর্শী বক্তৃতা-বিবৃতি না দিতে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন। একটি বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদী আন্দোলন থেকে নানা দাবি উঠবেই। এসবের পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নে সরকারকে বিচক্ষণতার পরিচয় দিতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবি প্রজন্মের আন্দোলনের প্রধান সুর। কাদের মোল্লার অপরাধ বিবেচনায় বিচারের রায় সাধারণ যুক্তিতে যথেষ্ট মনে হয়নি বলে বিক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়েছে। বিচার যে আপন গতিতে চলবে একথা না বোঝার মত অবুঝ নয় এদেশের মানুষ। কিন্তু এ সত্যও মানতে হবে নানা কারণে এদেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার জায়গাটি ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ছে। তাই নানা সন্দেহ বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে মানুষকে। তার মানে এই নয়, যৌক্তিকভাবে পরিচালিত আদালতের রায় মানুষ মেনে নেবে না। ঠিক একইভাবে বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে জামায়াতে ইসলামী দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে প্রজন্মের গণজোয়ার থেকে। এই দাবিটি নতুন কিছু নয়। তেমন যুক্তিহীনও নয়। আমাদের মত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী অনেক দেশেই মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল স্বাধীন দেশে রাজনীতি করার অধিকার পায়নি। কিন্তু আমাদের দেশের মত স্বার্থবাদী অদূরদর্শী রাজনীতির ময়দানে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেও জামায়াত রাজনৈতিক প্রশ্রয় পেয়েছে। ক্রমে সুবিধাবাদীদের সহায়তায় নিজের শক্তি অনেক বাড়িয়েছে এবং সেই শক্তি দেশের সংহতি নষ্টে প্রয়োগ করে যাচ্ছে। তাই অমন দল নিষিদ্ধ করার দাবি উঠতেই পারে। তবে যে কোনো সরকারের পক্ষে অমন দাবি বাস্তবায়ন চটকরে করে ফেলা সহজ নয়। এ বিষয়ে পূর্বাপর অনেক বিবেচনার প্রয়োজন হয়। তাই দায়িত্ববানদের এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করতে হয় অনেক হিসেবি শব্দে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে আমরা দেখছিলাম সরকারের বেশ কজন অতিকথন, কমকথনে অভ্যস্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং দলীয় নেতা লাগামহীন বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন। যেন জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত পাকা হয়ে আছে, এখন ঘোষণা দেয়ার অপেক্ষা মাত্র। আন্দোলনের এই পর্যায়ে এ ধরনের চটুল মন্তব্য অপশক্তির হাতে বিষাক্ত বল তুলে দেয়। অন্ধকারের খেলুড়েরা বরাবরই অমন বলে খেলতে পারঙ্গম। এই সত্যটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথার্থই অনুধাবন করতে পেরেছেন। একারণেই তিনি তাঁর মন্ত্রী-নেতাদের জামায়াত নিষিদ্ধের প্রশ্নে বেফাঁস বক্তব্য না দেয়ার জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন। এই সূত্রেই প্রধানমন্ত্রী শাহবাগের তরুণদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রকাশ করেছেন তাঁর উদ্বেগ। এটি প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা, দায়িত্বশীলতা ও অভিভাবকসুলভ আচরণের প্রকাশ। অপশক্তি ঘটনার মোড় যেভাবে ঘোরাতে চাইছে তাতে স্পষ্ট অনন্যোপায় এদের এখন মরণ কামড় দশা। জামায়াতের অবস্থান যেমন টলটলায়মান তেমনি এই বেলায়ও জামায়াতকে সমর্থন করা এবং গণজাগরণকে অস্বীকার করার মধ্যদিয়ে বিএনপির অবস্থানও দোদুল্যমান। তাই চোখে ঠুলি পরে এবং দিলে মোহর মেরে হলেও বিএনপি অপশক্তির পক্ষে ‘নৈতিক সমর্থন দিয়েই যাচ্ছে’। এমন বাস্তবতায় জামায়াতের সাথে সাথে বিএনপিও এসে দাঁড়িয়েছে খাদের কিনারায়। ফলে আত্মরক্ষার জন্য প্রতিদিন খুঁজে বেড়াচ্ছে অন্ধকার পথ। অযৌক্তিকভাবে ধর্মান্ধতা ছড়িয়ে দিয়ে ১২টি ইসলামী দলকে ব্যবহার করেছে। দুষ্ট চিন্তা আগে থেকে ছিল বলেই এরা গৃহযুদ্ধের আশংকার কথা ছড়িয়েছে আগেভাগেই। এখন ধর্মপ্রাণ মানুষকে মিথ্যে ধুয়োয় আচ্ছন্ন করে ধর্মের নামে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতে নামিয়ে দিয়েছে। মৌলবাদী ও ধর্মব্যবসায়ী দলগুলোর এটি পুরোন অভ্যাস। অমন বাস্তবতায় শাহবাগসহ সারা দেশে গণআন্দোলনে যুক্ত সকলের নিরাপত্তা নিয়ে আশংকা করাটি খুবই সঙ্গত। আমরাও এই আশংকার মধ্যে দাঁড়িয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করবো। এটি সত্য যে, ঐতিহাসিকভাবে এদেশের মানুষ অসামপ্রদায়িক। পাশাপাশি এরা ধার্মিকও। জামায়াত ছাড়া ইসলাম চর্চাকারী দলগুলো ধার্মিক চেতনা নিয়েই ধর্মচর্চা করে ও রাজনৈতিক চিন্তার বিকাশ ঘটায়। জামায়াতের নেতাদের মত ধর্মবণিকরা মাঝে মাঝে এসব দলের নেতা ও অনুসারীদের ধর্মের মিথ্যে দোহাই দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি তেমন অপচেষ্টার বিস্ফোরণই ঘটেছিল। সুখের কথা এর মধ্যে অনেক ইসলামী দলের নেতা জামায়েতের অপকৌশল বুঝতে পেরেছেন। এ প্রসঙ্গে তাঁরা তাঁদের অভিমতও প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ইতোমধ্যে দেশজুড়ে অনেক সরল ধার্মিককে ধর্মের নামে বিভ্রান্তিতে ফেলে দেয়া হয়েছে। একারণে নানা অনর্থ ঘটছে প্রতিনিয়ত। আমরা অনুরোধ রাখবো, দেশের দায়িত্বশীল সকলের সাথে ইসলামী ধর্মীয় নেতারাও নিজেদের যোগ্য ভূমিকা রাখবেন। গুজবমুক্ত হয়ে ইসলামের শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেবেন। সকল পক্ষ সতর্ক থাকলে এবং যার যার দায়িত্ব পালন করলেই আমরা আশংকামুক্ত হতে পারি। লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় shahnawazju@yahoo.com